× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ

ইয়াবা ও হেরোইনের বিকল্প ‘পেন্টাডল ও টাপেন্টা’য় ঝুকছে ধামইরহাটের যুব সমাজ

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০১৯

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি: সীমান্তবর্তী ভারতের কোল ঘেষা নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা। ভারতের তারকাটা কেটে চোরাইপথে গরু-মহিষ, ফেন্সিডিল, হেরোইন ও ইয়াবাসহ আমদানি নিষিদ্ধ অনেক পন্য এবং মাদকের অনুপ্রবেশ বাংলাদেশে অনেক পুরোনো কথা। এই উপজেলাটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় মাদকের ছড়াছড়ি এক সময় থাকলেও সম্প্রতি সরকারের পুলিশ-বিজিবি-র‌্যাবসহ সামাজিক সচেতনতায় অনেকটা কম হলেও মাদবসেবীরা এসবের বিকল্প নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। তারা নিজেদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে মনে করছে বাজারের ঔষুধের দোকানগুলোকে। সেই সাথে বিপদগামী হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাজারের এসব ঔষুধের দোকানগুলোতে ‘পেন্টাডল ও টাপেন্টা’ নামক ৫০, ৭৫ ও ১০০ এম.জি পাওয়ারের ট্যাবলেটে আসক্ত হচ্ছে মাদকসেবীসহ তরুন যুব সমাজ। ধামইরহাট উপজেলা সদর থেকে ফার্শিপাড়া মোড় পর্যন্ত ২৫ থেকে ৩০ টি ঔষুধের দোকান রয়েছে। মাদকসেবীরা দোকানগুলোতে গিয়ে ১৪ থেকে ১৫ টাকার প্রতিটি ট্যাবলেট ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় কিনে এবং তা বিভিন্ন গোপন স্থানে পুড়িয়ে খেয়ে তাদের নেশা নিয়ন্ত্রনে রাখে। এছাড়াও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে, মোড়ে মোড়ে যত্রতত্র ঔষুধের দোকানগুলোতে এসব ট্যাবলেট পাওয়া যায়, যা মাদকসেবীরা হেরোইন ও ইয়াবার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে।

ধামইরহাট থানার ওসি জাকিরুল ইসলাম জানান, ‘পেন্টাডল ও টাপেন্টা’ ট্যাবলেট দুটি মুলত দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্তদের ঘুম ও শরীরের ব্যথা নিরাময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা লিখে থাকেন, কিন্তু মাদকসেবীরা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান ও ধড়পাকড় থেকে বাঁচতে ইয়াবা এবং হেরোইনের বিকল্প হিসেবে ঔষুধের দোকান থেকে বিনা প্রেসকিপশনে ১৪ টাকার ট্যাবলেট ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় কিনে সেবন করে।”

উৎপাদনকারী ঔষধ কোম্পানী স্কয়ার কে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে অবগত করা হয়েছে জানিয়ে ইউএনও গনপতি রায় জানান, স্কয়ার কোম্পানী যুব সমাজকে রক্ষার্থে পেন্টাডল নামক ট্যাবলেটটি তাদের উৎপাদন বন্ধ রেখেছে, তবে এস.কে এফ ফার্মাসিউটিক্যাল এর টাপেন্টা নামক ট্যাবলেটটির বাজারজাত বন্ধে খুব দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।

সম্প্রতি ঔষধ প্রশাসন দপ্তরের উদাসীনতার কারণে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় যত্রযত্র ঔষুধের দোকান তৈরী হয়েছে, এসবের কোন মনিটরিং না থাকায় ঔষধ ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় যুব সমাজ ধ্বংসের এসব ঔষুধ বিক্রি করছে। মাদকসেবীরা এসব ‘পেন্টাডল ও টাপেন্টা’ ট্যাবলেট আত্রাই নদীর পাড়ে, বিভিন্ন বন জঙ্গলে, ঝোপ-ঝাড়ে পরিত্যাক্ত টয়লেটে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে খাচ্ছে। যুব সমাজকে রক্ষার্থে নেশা জাতীয় সকল ঔষুধ বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতনমহল।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..