× Banner
সর্বশেষ
FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই নতুন ভারতের জাতীয়তাবাদ ও ডিপস্টেটের চক্রান্ত: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ

আবারও বাড়ছে ঠাণ্ডা, শীতে কাপঁছে উত্তরাঞ্চল

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০১৬

শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো : রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় আবারও শৈত্য প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিনেই তীব্রতা বাড়ছে ঠাণ্ডার। কনকনে ঠাণ্ডার সাথে কুয়াঁশা মেশানো হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ভারী কুশায়ায় দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের। প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় দূর্ভোগে পড়েছে শিশু, রোগাআক্রান্ত ও বয়ষ্করা। সেই সাথে হাসপাতালে বাড়তে শুরু করেছে ঠাণ্ডা জনিত রোগী।

রংপুর আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, রবিবার বিকেল থেকে সোমবার পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের আট জেলার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে এ ধরনের শৈত্য প্রাবাহ আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, চলতি শীত মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রংপুর অঞ্চলে। যা আরো বেশ কিছু দিন স্থায়ী হতে পারে। এদিকে, হঠাৎ করে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাস বাড়তে শুরু করায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগ।

মাত্রাতিরিক্ত ঠাণ্ডায় নাজুক এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে ঠাণ্ডা জনিত নানান রোগ-বালাই। ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল গুলোতে ভীর জমাচ্ছেন রোগীরা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসতে শুরু করেছে ঠাণ্ডা নিউমোনিয়া, হাঁপানী, ডায়রিয়া ও সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজের আবাসিক চিকিৎসক ডা. এনামুল হক জানান, শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়ষ্ক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগীর সংখ্যাই বেশি।

অপরদিকে, বাংলাদেশের সর্ব উত্তরেই রয়েছে নেপালের হিমালয় পর্বত। সে কারণে ঘন কুয়াঁশা ও শীতের তীব্রতার প্রভাব ফেলছে রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায়।

ফলে, অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ পড়েছেন ভোগান্তিতে। বেশি করে খেটে খাওয়া সাধারন মানুষজন দূর্ভোগে রয়েছে পরিবার-পরিজন নিয়ে।

ঠাণ্ডার প্রভাবে ক্ষেত খামারে কাজ করতে না পাওয়ায় অনাহারে দিন কাটছে তাদের। এদিকে, অসহনীয় ঠাণ্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচার জন্য যেমন নেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র, তেমনই মোকাবেলা করতে হচ্ছে শীতজনিত নানান রোগ-বালাই।

খরকুটোর আগুন দিয়ে নিবারন করতে হচ্ছে ঠান্ডা। অন্যদিকে, খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষজন গরম কাপড়ের আশায় ছুটোছুটি করছেন সম্ভাব্য জায়গা গুলোতে। সামর্থবানরা হানা দিচ্ছেন অবস্থা ভেদে রেডিমেড কিংবা পুরনো কাপড়ের দোকানে।

এ বিষয়ে রংপুরের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার জানান, চলতি শীত মৌসুমে রংপুর জেলায় প্রায় ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরো চাহিদা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে।

আর বে-সরকারি সংস্থাগুলো বিভিন্ন ভাবে প্রায় আট হাজার শীত বস্ত্র বিতরন করেছেন। অন্যদিকে, ঘন কুয়াশায় হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে ভারী যানবাহন গুলো।

আর শীত নিবারণ করতে খরকুটোর আগুনে এখন একমাত্র ভরসা নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের। এমন মূহূর্তে তাদের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন সংস্থার সাহায্যের দিকে মূখ চেয়ে আছেন তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..