বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন উপযুক্ত মনে করবেন, তখনই ভারত সফর করবেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যোগাযোগ ও সহযোগিতার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ভারত আগ্রহী। বাণিজ্যিক সম্পর্ককে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকতে দেওয়া উচিত নয়।
তিনি বলেন, দুই দেশের বিভিন্ন টেকনিক্যাল কমিটি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত কাঠামোর মাধ্যমে যেসব কাজ চলছে, সেগুলো এগিয়ে নিতে হবে। উভয় দেশের বিদ্যমান ট্রেড রেস্ট্রিকশন বা বাণিজ্যিক সীমাবদ্ধতাগুলোও ধীরে ধীরে সহজ করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুনঃ ফাতিমার অলরাউন্ড নৈপুণ্যও বাঁচাতে পারল না পাকিস্তানকে, ফাইনালে শ্রীলঙ্কা
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। বাণিজ্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাধক কবি কবীর ও বাংলাদেশের সাধক কবি লালনের জীবনদর্শন ও ভাবধারা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, কোনো ধর্মই মানুষের মধ্যে বিভাজনের শিক্ষা দেয় না। বরং ধর্মীয় বিভাজন দূর করে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, ঐক্য ও সহমর্মিতাই শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ভিত্তি হতে পারে।





