মানবপাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মানবপাচার বন্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাকসোদা মাকসুদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ডিজিটাল জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) প্ল্যাটফর্ম এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পুনর্বাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জড়িত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) এবং মানবপাচার প্রতিরোধ তহবিল কার্যকরভাবে পরিচালনা করছে সরকার।
এ ছাড়া মানবপাচার প্রতিরোধে এনজিওগুলোর কার্যক্রম এবং নতুন প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার স্পেস ও বিভিন্ন ভুয়া অনলাইন জব অফারের মাধ্যমে প্রতারণা এবং মানবপাচারের ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব চক্রের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাক্ষাতে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাকসোদা মাকসুদি ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনপিএ) বাস্তবায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পূর্ণ সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রজেক্ট ডিরেক্টর দীপ্তা রক্ষিত ও নাসিরউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





