গাইবান্ধায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাসান আলীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে এসআরবির সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার হাসান আলী গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে এবং দ্বীনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া ও কওমী মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
এসআরবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রায় আট বছর আগে ওই মাদরাসার আবাসিক শাখায় এক ছাত্রীকে ভর্তি করে তার পরিবার। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীর বয়স ১৪ বছর। তার বাবা-মা জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় বসবাস করেন।
সেখান থেকেই তাঁরা প্রতি মাসে মেয়ের খরচ পাঠাতেন এবং মাঝেমধ্যে মাদরাসায় গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ছয় মাস আগেও হাসান আলী ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট সকাল ৬টার দিকে মাদরাসার পরিচালক হাসান আলী ওই ছাত্রীকে মাদরাসাসংলগ্ন নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে হত্যা এবং মরদেহ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর তারা গাইবান্ধা সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হাসান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।





