ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ দখল প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর

ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ দখল প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর
ফসলি জমি রক্ষা ও অবৈধ দখল প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর

দেশের কৃষিজমি ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখল থেকে মুক্ত রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি ঘোষণা করেছেন, অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে সরকার শতভাগ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভায় বিভাগীয় কমিশনারদের প্রতি নির্দেশ প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, “অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ফসলি জমির বেপরোয়া ব্যবহার এবং ভূঁইফোঁড় ভূমিদস্যুদের কারণে দেশের ভূমি ব্যবস্থা সংকটে পড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। কোনো প্রভাবশালী মহল যেন সাধারণ মানুষের জমি বা সরকারি খাসজমি দখল করতে না পারে, সেজন্য মাঠ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সক্রিয় থাকতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, শুধু অবৈধ দখল উচ্ছেদ করলেই হবে না; এর পেছনে থাকা অপরাধী সিন্ডিকেটকেও পুরো চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন সরকারি কর্মকর্তাদের জনবান্ধব মনোভাব বজায় রাখার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, “বর্তমান নির্বাচিত সরকার জনগণের দোরগোড়ায় হয়রানিমুক্ত সেবায় বিশ্বাসী। সরকারি কর্মচারীরা জনগণের শাসক নন, বরং সেবক। ১৮ কোটি জনগণের করের টাকায় প্রশাসনিক কাঠামো চলে, তাই তাদের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।”

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সমন্বয় সভায় সকল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ভূমি দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে ভূমিসেবা অটোমেশন, হয়রানি বন্ধ এবং সমন্বিতভাবে কৃষিজমি রক্ষার কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
সংবাদ প্রতিনিধি

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।