পার্বত্য অঞ্চলের কোনো শিক্ষার্থী যেন ভুল তথ্যের শিকার না হয়, কোনো অভিভাবক প্রতারিত না হন এবং কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধিতে নষ্ট না হয়—এ বিষয়ে সব পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
শনিবার রাতে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘ফরেন এ্যাডমিশন এ্যান্ড কেরিয়ার ডেভেলপমেন্ট কনসালটেন্টস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (এফএসিডি-সিএবি)-এর নির্বাহী কমিটি ২০২৫-২০২৭-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘পরিবর্তনের এক বছর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “একটি রাষ্ট্রের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো তার মানসম্পন্ন মানবসম্পদ। পাহাড় ও সমতলের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। ভৌগোলিক বা অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে পাহাড়ি অঞ্চলের কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার যৌথ নৈতিক দায়িত্ব।”
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিষয়ে আলোকপাত করে সাচিং প্রু বলেন, পাহাড়ের বহু মেধাবী শিক্ষার্থী উপযুক্ত দিকনির্দেশনার অভাবে আন্তর্জাতিক সুযোগ সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। তিনি পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ, আর্থিক প্রণোদনা, বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংযোগ তৈরি, সঠিক ভিসা কাউন্সেলিং এবং আইইএলটিএস প্রস্তুতিতে কার্যকর সহায়তার ওপর জোর দেন।
একই সাথে বিদেশে উচ্চশিক্ষা পরামর্শক খাতে শতভাগ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, এই খাতে নৈতিক মান বজায় রাখলে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে এফএসিডি-সিএবি’র আহ্বায়ক জি এম ফারুক, সভাপতি জুলফিকার আলী জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বক্তব্য দেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী এবং সেলিনা সুলতানা নিশিতা।





