দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সম-অধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং নিয়মিত গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষুণ্ণ হলে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার কোনো সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে নয়, বরং যোগ্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের জন্য ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
সাক্ষাৎকালে পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানানো হয়। সাম্প্রতিক জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রাসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন উৎসব সুচারুভাবে উদযাপনে সরকারের সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। পাশাপাশি প্রতিনিধিদলটি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে উপস্থিত হতে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি সাদরে সে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হবে আশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





