বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে প্রতিবেশীসুলভ সুসম্পর্ক বজায় থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোলা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, “ভারত পতিত স্বৈরাচারী সরকারের প্রধানকে সে দেশে আশ্রয় দিয়েছে এবং সেখান থেকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা ভারতের পাশাপাশি বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। তবে দুই দেশের আচরণে সেই আন্তরিকতা ও মর্যাদার প্রতিফলন ঘটা আবশ্যক।”
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বিএনপিকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়েছে। বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশকে পুনর্গঠন করতে নতুন সরকারের কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।”
জুলাই সনদের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে স্পিকার জানান, বর্তমানে সংবিধান সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে এবং এটি শেষ হলেই অভ্যুত্থানের কাঙ্ক্ষিত সুফল দেশের মানুষ ভোগ করতে পারবে। দেশ এখন পূর্ণ বাকস্বাধীনতা উপভোগ করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর ও সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। তিন দিনের ভোলা সফর শেষে স্পিকার বরিশাল হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।





