বাংলাদেশ চীনকে অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক শুধু বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।
তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং বৃহৎ পরিসরে ডিজিটালাইজেশনের মতো ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতার পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, গত এক দশকে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সফর ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও চুক্তির পথ তৈরি হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারকে চীন সমর্থন করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে চীন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক ‘চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের বন্ধুত্ব উভয় দেশের জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোনো বাধাই এ সম্পর্কের অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।





