× Banner
সর্বশেষ
আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক জোন শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়েলমি C100i এলো ৭,০০০mAh টাইটান ব্যাটারি নিয়ে, এক চার্জে চলবে তিন দিন পর্যন্ত পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে বৃক্ষরোপন নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চলবে, পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ব্যবহারের আহ্বান সম্ভাবনাময় ও সময়োপযোগী প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে প্যারেন্ট সার্কেল ও বন্ধু রেজিস্টার :ববি হাজ্জাজ মাদারীপুরে ইউএনও’র গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে লাগামহীন দুর্নীতির অভিযোগে, তদন্ত শুরু সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক খাতে বৈশ্বিক নেতৃত্বের লক্ষ্য বাংলাদেশের, ‘Science to Economy’ রোডম্যাপ ঘোষণা

রহস্যময় প্রেমের গল্প

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৬

মো. আমির সোহেল: তখন আমি ৮ম শ্রেনীর ছাত্র, রাতের খাবার খেয়ে একটু শুয়ে আনমোনে গুনগুনিয়ে গান গাইতেছি, এমন সময় হটাৎ ফোনটা বেজে উঠলো। ঘড়ির ধিকে তাকিয়ে দেখি প্রায় ১২টা। হ্যালো কে বলছেন? ওপার থেকে অসম্ভব মিষ্টি একটা কণ্ঠ ভেসে এলো জি’ আমি নির্জনা, যেন স্বগ্রের অপ্সরা কথা বলছে। খুব হতভম্ব চকিয়ে গেলাম আবার পুলকিত ও হলাম ভয়ানক ভাবে। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এই বয়সে এমন অচেনা কল কার না ভাল লাগে। সভাবত্ব আমি বল্লাম কাকে চান, খুব স্পষ্ট করে আমাকে এই চাইলো। যেন কত কালের চেনা জানা  আমি।

তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলাম, বিস্তারিত কিছু বললো না শুধু মিষ্টি হাসির মাঝে লাইনটা কেটে দিলো। আশ্চর্য হবার শুরু তখন থেকেই। প্রত্যেক রাতে ঠিক ১২টায় পড়েই কলটা আসতো। নেশাগ্রস্তের মতো কথা বলতাম তার সাথে ভোর রাত পযর্ন্ত। কেনো বলি তায় বুঝতে পারলাম না। হয়তো একেই বলে প্রেম, মরুময় ব্যাচেলর জীবনের প্রথম প্রেমের আভাস। নব যৌবনের হাতছানি, দিন দিন অবস্থা আরো ভয়াবহ হলো, এখন আমি বিকেল থেকে ওর কলের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কখন রাত হবে ওর, কল আসবে। ওর কল না আসা পযর্ন্ত হাসপাশ করতে থাকতাম। এভাবে চলছে বেশ কিছুদিন। সব মানুষ এইতো প্রেমে পড়ে, কেউ চেহারা দেখে প্রেমে পড়ে, আবার কেউ অর্থের, আর আমি পরলাম কিসের…? কখনো ওর ফোন নাম্বারটাও জানতে চাইনি, ঠিকানা তো অনেক পরের ব্যাপার। দিনের পন দিন শুধু কথা আর কথা। প্রেম না কি জানিনা, তবে কিছু একটা হয়েছে আমার। দিন যেন চলে যাচ্ছে ঝড়ের গতিতে। একি চরম এক মনমুগ্ধতা! ঘোরের মধ্যে কাটছে দিন রাত। সারাদিন শুধু ওর চিন্তা ভাবনা আমার মনে। কতদিন যে ওর সাথে দেখা করতে চেয়েছি, ও শুধু এড়িয়ে গেছে। বলেছে পরে সময় হলে, আমিও অপেক্ষা করতে লাগলাম। শুধু এক সুন্দর ভবিষ্যতের আশা। আর মনে মনে বুনে চলেছি স্বপ্নের এক কারুকার্য। এভাবে স্বপ্নের ঘোরে অনেক সময় কেটে গেল চোখের পলকে। কল্পনা করতাম কত শত কিছু, হয়তো ওকে নিয়ে। ভাবতাম ওর কণ্ঠর মতোই সুন্দর হবে। দিনটা স্পষ্ট ভাবে মনে নেই, তবে সান‘টা ছিল ২০০৬। এক রাতে তার ফোন কল এলো না। সারা রাত ছটফট করলাম একটু ঘুম এলো না দুচোখের পাপরি মেষাতেই ভেষে ওঠে ঐ অচেনা সোনামুখ খানি। এভাবে ছটফট করতে করতে কখন যে ঘুমহীন রাত চলে গেলো মনেই নেই। এভাবে অনেক রাত কেটে গেল আমার।

আমি গোসল খাওয়া-দাওয়ার সবকিছু ভুলে গেছি। চোখটা সারাদিন পরে থাকে ফোনের দিকে। সেদিনও ফোন এলো না, পাগলের মতো হয়ে গেলাম আমি। আজ অনেক দিন হয়ে গেছে একবারও ফোন করেনি। আমার মাথা ঠিক মতো কাজ করছে না। চোখের নীচে কালো দাগ পড়েেেছ তার ভাবনায়। মাথার চুল উস্কো কুসকো হয়ে গেছে, কখন যে কি করি অজানা হয়ে গেলাম। অনেক চেষ্টা করলাম তার পরিচয় জানার জন্য্ কোন হদিসই বের করতে পারলাম না। আমার কাছে তার নাম (নির্জনা) ছাড়া আর কোন পরিচয় ছিলো না। নির্জনা… আমি বিছানায় শয্যাগত, স্যালাইন দেয়া হয়েছে আমাকে। সারাদিন শুধু বিড়বিড় করি আর তার কথা ভাবি। দুই জগতের সন্ধিক্ষণে এখন আমি। আজও ফোন এলো না, জানতে পারলাম না কে এই নির্জনা? কোথায় থাকে কি করে আমি কিছুই জানি না। তাহলে কি আর কোনদিন ফোন আসবে না…..?


এ ক্যটাগরির আরো খবর..