১৯৭৫ সাল থেকে বিএনপির কী বর্বরবতা। প্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, আমার ভাই, আত্মীয় স্বজনকে মারলো, এরপর জেলখানায় জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করল। এরপর থেকে বার বার সেনাবাহিনীতে- মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করল। শুধু তাই নয়, আমাদের আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে হত্যা করল। যখন আমি অপজিশনে ছিলাম এমন দিন নেই, যেদিন লাশ টানতে হয়নি। আমাদের এত নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে, সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে, তারপরও কী করে এদের পাশে লোক থাকে?
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসে নিহত ব্যক্তিবর্গের পরিবার এবং আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষ যখন ভালো অবস্থার দিকে যাচ্ছে, আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছে, সেই সময়ে আবার অগ্নিসন্ত্রাস, মার্কেটে আগুন, নানাভাবে মানুষকে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এসব কর্মকাণ্ড করছে তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা এ অপরাধ করছে তাদের বিচার হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, কয়েক দিন ধরে হঠাৎ করে আগুনের ঘটনা বেড়ে গেল। আমার মনে সন্দেহ হচ্ছে—এটাও নাশকতা কি না। যারা জীবন্ত মানুষকে গাড়িতে আগুন দিয়ে, বাসে আগুন দিয়ে, রিকশায় আগুন দিয়ে পুড়াতে পারে, এরা মানুষের ক্ষতি করাটাই জানে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য করবে, হয়তো সেই পথটাও বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। আমার মনে হয়, এখানেও একটা ঘটনা আছে।





