× Banner
সর্বশেষ
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা

শাহারুল আটকের পর নিরাপত্তীনতায় দাদা রিপনের পরিবার

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

যশোর প্রতিনিধিঃ যশোরে নিহত ছাত্রলীগ নেতা রিপন হোসেন ওরফে দাদা রিপনের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। দলের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে মামলার পলাতক আসামিরা রিপনের বাবা ও পরিবার-সদস্যদের নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।

শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিপনের বাবা শহিদুল ইসলাম এই দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘রিপন হত্যার এক নম্বর আসামি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেতা শাহারুল আটক হওয়ার পর হুমকি-ধামকি বেড়েছে। যে কোনো সময় তারা আবার অঘটন ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রিপন হোসেন ওরফে দাদা রিপন ছাত্রলীগ যশোর সদর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক এবং জাপান-বাংলাদেশ কৃষি কলেজের  মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ২০১০ সালের ১৪ মার্চ বিকেলে আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামে ধাওয়া করে তাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাহারুল ইসলাম ওই হত্যাকান্ডের মূল আসামি। তাকেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলার চার্জশিট দেয়। চলতি বছরের ৬ এপ্রিল আদালত থেকে সাহারুলসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। কিন্তু তখন থেকে সাহারুল প্রকাশ্যে থাকলেও পুলিশ তাকে আটক করেনি।

গত ২৭ আগস্ট সে পুলিশের হাতে আটক হয়। তখন থেকে সাহারুলের লালিত সন্ত্রাসী এবং পলাতক অন্য আসামিরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার কাছে ছেলে হত্যার বিচার চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ১০০ বছরেও দাদা রিপন হত্যার বিচার হবে না। বরং মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য ওই নেতা আমাকে পরামর্শ দেন। এখন সন্ত্রাসী শাহারুল আটক হওয়ার পর আওয়ামী লীগের ওই শীর্ষ নেতা আমাকে হুমকি দিচ্ছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাদা রিপন হত্যামামলার পলাতক আসামিদের আটকের দাবি করেন। একইসঙ্গে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। উল্লেখ্য রিপন হোসেন ওরফে দাদা রিপন ছিলেন ছাত্রলীগ যশোর সদর উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক।

২০১০ সালের ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত সংগঠনের জেলা কাউন্সিলে তিনি সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।দুই গ্রুপের ব্যাপক বোমাবাজি ও গোলাগুলির কারণে ওই সম্মেলন কার্যত পন্ডু হয়ে যায়। পরদিন ১৪ মার্চ গ্রামের বাড়ি থেকে শহরে আসার পথে নিজ দলীয় সন্ত্রাসীরা তাকে ধাওয়া করে কুপিয়ে নির্মমভাবে খুন করে। এ ঘটনায় রিপনের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় মামলা করেন।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর পুলিশ সাতজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলাটির চার্জশিট আদালতে দাখিল করে। এই মামলার এক নম্বর চার্জশিটভুক্ত আসামি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারুল ইসলাম। গত ২৬ মার্চ মধ্যরাতে বিমানবন্দরের কাছ থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

শাহারুলের মুক্তির দাবিতে আওয়ামী লীগের একাংশ শহরে বিক্ষোভ করে। অন্যদিকে, ‘যশোরবাসী’র ব্যানারে আওয়ামী লীগের আরেকাংশের কর্মীরা ‘সন্ত্রাসী, খুনি, চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে শাহারুলের ফাঁসির দাবিতে মিছিল করে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..