রক্তাক্ত অশান্তির পরিবেশ থেকে শান্তি ও উন্নয়নের দিশারী ইসরাফিল আলম

বিশেষ প্রতিবেদকঃ অশান্ত ও অভাবী সংসারের বোঝা এই জগতে কেউই মাথায় নিতে চায় না। কিন্তু প্রাচুর্য ও সুখ-শান্তির সংসারের মালিক একজন ভিক্ষুকও হতে চায়। ভিক্ষুকও রাজা হওয়ার আকাংখা করে। এর অর্থ হল- রানীনগর-আত্রাই- এক সময় ছিল অশান্তি, অরাজগতা আর বিশৃঙ্খলায় জড়াজীর্ণ একটা জনপদ।

মানুষ খেতে পেত না, কাজ পেত না, মানুষের অধিকার ছিল না, মানুষের স্বাধীনতা ছিল না, মানুষের মধ্যে ছিল হতাশা আর হাহাকার, ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল না, শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল না, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ছিল না, মানুষের জান মালের নিরাপত্তা ছিল না, মানুষের শান্তি ছিল না। সারা বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হলেও ওই এলাকা স্বাধীন হয়েছিল শত শত মানুষের আত্মদান, কারা-নির্যাতন, আত্মত্যাগ এবং অর্থ ব্যয়ের বিনিময়ে, ৭৩ সালে নৌকার বিজয় হয়েছিল।

আর ৩৫ বছর পর ২০০৮ সালে পুনঃবিজয়। এই দীর্ঘদিনে নৌকা মার্কার নেতা কর্মীরা কোনদিন জাতীয় নির্বাচনে কখনো বিজয়ের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি।

১৯৯০ সাল থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে দিনরাত পরিশ্রম করে, আরাম কে হারাম করে, নিদ্রা বিসর্জন দিয়ে, পরিবার পরিজনের মোহমায়া ত্যাগ করে, রাজধানীর রাজকীয় জীবনের মোহ ত্যাগ করে জননেতা ইসরাফিল আলম গ্রাম থেকে গ্রামে, হাট থেকে হাটে, বাজার থেকে বাজারে, ঘর থেকে ঘরে ঘুরে ঘুরে আওয়ামীলীগের সংগঠন তৈরী করেছেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটের বাবধানে ১৩০,৯৯৫ হাজার (৫৯.৬৯%) অর্থাৎ ৪৩,৯৯৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তারপর থেকে শুরু শান্তির জয়যাত্রা আর সমৃদ্ধি প্রাচুর্যের সমারোহ। এখন কোন খুন নাই, অশান্তি নাই, সন্ত্রাসী নাই, চোর নাই, ডাকাত নাই। প্রত্যেক মানুষ স্বাধীনভাবে ব্যবসা করে, শিক্ষকরা স্বাধীনভাবে শিক্ষকতা করেন, কৃষকরা স্বাধীনতা নিয়া কাজ করেন, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীগণ তাদের স্বাধীন মত প্রকাশ করতে পারেন, নেই হানাহানি, সম্প্রীতিময় এলাকা। এখন এই এলাকা প্রতিটা ক্ষণ, প্রতিটা মুহূর্ত এগিয়ে যাচ্ছে।

দেশরত্ন মাননীয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করেছেন, রাস্তাঘাট, ব্রীজ -কালভার্ট, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ। এখন মানুষের ঘরে ঘরে শিক্ষা। এড়াছাও রয়েছে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড ও ডিজিটালাইজেশনে নানা প্রক্রিয়া। এই রানীনগর-আত্রাইয়ের সুখের সংসারে – যারা প্রানের ভয়ে এলাকার দিকে ফিরে তাকায়নি, যারা জীবনে কোন যাকাত দেয়নি, এমনকি ভোটারও না এলাকার। মানুষ ৬৫ বছরের জীবনে যাদের মুখ দেখেনি এখন তারা এই সুখের সংসারের মালিক হবার জন্য হন্যে হয়ে গেছে।

যাঁর নেতৃত্ব, যাঁর ত্যাগ, যাঁর পরিশ্রম, যাঁর প্রচেষ্টায় আজকে ভাংগা ঘর থেকে এই অবস্থা, অশান্তির ঘর শান্তিতে পরিণত হয়েছে, আজকে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক রকম ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু ইসরাফিল আলম এই জায়গায় যখন সংগঠন করেছিলেন, তখন তারা বলেছিল ইসরাফিল ছাড়া আমাদের কোন গতি নাই।

ইসরাফিল আলম কি ক্ষতি করেছিল??  যে আজকে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে হবে? এই যে দেখছে, তাঁর কত উন্নয়ন, আজকে গ্রামের সাধারণ মানুষ তাঁর জন্য নামাজের পর প্রার্থনা করে, হিন্দুরা তাদের মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করে, তাঁর জন্য বৃদ্ধ লোকেরা রোজা করে। স্বজন হারানো বিধবা, এতিমরা তাঁর জন্য আল্লা্হর কাছে ফরিহাদ করে। কিছু চিটার, বাটপার, টাউট, সুযোগ-সন্ধানী, স্মাগলার, সুদখোর, মদখোর, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজরা, চাঁদাবাজরা তাদের হীনস্বার্থ হাসিলের জন্যে এই রকম একজন মাটির মানুষ, এই রকম একজন সোনার মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ধিক জানাই তাদের।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।