× Banner
সর্বশেষ
জনগণের আস্থা ছাড়া রাজনীতি টেকসই নয়: তথ্যমন্ত্রী ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে জনসেবার মানোন্নয়ন ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে গুরুত্ব এআইভিত্তিক ডেটা বিশ্লেষণে বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করবে সরকার জাপানের সহযোগিতায় ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় স্বচ্ছ কার্বন মার্কেট গঠনের আহ্বান দেশে টেক্সটাইল ও পাট খাতে বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, ভোটার তালিকার অপেক্ষায় ইসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন – সিইসি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন চ্যালেঞ্জ করে রিট খারিজ

ডুমুরিয়ার ভদ্রা ও সালতা নদী খনন প্রায় শেষ পর্যায়

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮

মারিয়া আফরিন পায়েল,ডুমুরিয়া,খুলনা॥  খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরস্রোতা ভদ্রা ও সালতা নদীপলি জমে নাব্যতা হারিয়ে মরা খালে পরিনত হয়ে ছিল। এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে পূন্য খননে যৌবন ফিরে পেতে চলেছে নদীটি। এক সময় উপজেলার বিস্তৃন্ন এলাকার পানি নিষ্কাশনের এক মাত্র মাধ্যম ছিল এই নদী।এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষেরা নদী থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো।কিন্তু কালের বিবর্তনে নাব্যতা হারিয়ে মরা খালে পরিনত হয় নদীটি।

মাত্র কয়েক বছর আগেও ভদ্রা-শালতা নদী ঘিরে হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা চলতো। জোয়ার-ভাটা, মাছ শিকারসহ নৌকা চলাচল করতো এই নদীতে। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ছিল নদী দু’টির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কিন্তু কালের বিবর্তমানে ও নানা প্রতিকূলতার মুখে ভদ্রা ও শালতা নদীতে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পলিপড়ে নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে মরা খালে পরিনত হয়।

নদী খননের ফলে কয়েক দিনের ভারি বর্ষনে নদীতে পানি জমেছে, আর নদীতে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ। এলাকাবাসী বৃষ্টির মধ্যে মাছ ধরতে নেমে পড়ছে নদীতে।অনেকেই মাছ বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

চিঙ্গরা গ্রামের আবু তাহের বলেন,নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে বর্ষা মৌসুমে বিসতৃর্ন এলাকা প্লাবিত হতো।আবার দেশীয় মাছের স্বাধভুলেই গিয়েছিলাম।
কিন্তু নদীটি খননে একদিকে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্তা হয়েছে, অন্য দিকে আমরা মাছ ধরে জিবীকা নির্বাহ করতে পারছি।পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে চলা ভদ্রা ও সালতা নদীটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে যায়। নদী দু’টি খননের জন্য স্থানীয় এলাকাবাসীরা বিভিন্ন সময় দাবি করে আসছিলেন নদীটি খননের জন্য।

এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য কয়েক বার বিষয়টি সংসদে বক্তব্যও তুলে ধরেন। কথা বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে নদী দু’টি খননের জন্য প্রকল্প জমা দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই করে সরকার ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একনেকের বৈঠকে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৭৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। ২০১৬- ২০১৭ অর্থবছরে খনন কাজ শুরু হয়। শেষ করার কথা রয়েছে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে। ইতোমধ্যে খনন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..