ময়মনসিংহে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে মেরে বাঁশ গাছে ঝুলিয়ে রেখে গেছে নরপিশাচ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার পাঁচগাও গ্রামের ঢাকির ভিটা  এলাকায় ৫ বছরের একটি নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ করে গলায় রশি দিয়ে পাশের  বাড়ির বাঁশবাগানে বেধে রেখে নিঃশব্দে পালিয়ে যায় কে বা কারা।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, শিশুটিকে একা পেয়ে এমন ভাবে অত্যাচার চালায় মানুষ রুপী পশু যে শিশুটি অর্ধমৃত হয়ে যায়। শেষে রক্তাক্ত বাচ্চাটাকে মেরে পাশের বাড়ির বাঁশবাগানে বেধে রেখে নিঃশব্দে পালিয়ে গেছে ।

দুপুরে পাশের বিয়ে বাড়ীতে গিয়ে নিখোঁজ হলে খোঁজাখুজির পর গভীর রাত পর্যন্ত তার সন্ধান মিলেনি। পরে বাড়ীর পাশে একটি বাঁশ ঝোপে শিশুটির মৃতদেহ অর্ধঝুলন্ত অবস্থায় সন্ধান পায় স্থানীয়রা। শিশুটির পরিবার সহ আশেপাশের লোকজন এমন দৃশ্য দেখে কেঁপে ও শিউরে ওঠেন।

থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা বলছে, কি দোষ ছিল শিশুটির? অর কি একমাত্র দোষ ও মেয়ে? ওই নরপিশাচ কি মায়ের পেটে জন্মায়নি নাকি ওর ঘরে মা, স্ত্রী, মেয়ে নেই। একটা দুধের শিশুর সাথে কে এমন করতে পারে। এমন ঘটনা প্রকাশ করার ভাষা আমাদের নেই। তারা পুলিশ কে বলেন আপনারা তাড়াতাড়ি বডিটা নিয়ে যান এ যে চোখে দেখা যায় না। এই রকম ঘটনা সারা বাংলাদেশের। এসবের কি কোনোদিন বিচার হবে না? আমাদের ছেলে মেয়ে কোন অনিশ্চিত, অনিরাপদ বাংলাদেশে বড় হচ্ছে?

পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য ডিবি ও থানা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।