প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বন্দি প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন।
দশম জাতীয় সংসদ পরবর্তী এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের প্রধান বিষয়াবলি
• দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: বৈঠকে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা ভৌগোলিক ও সামাজিক নির্ভরশীলতার বিষয়টি স্মরণ করেন। যৌথ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক স্থায়িত্ব বজায় রাখতে নতুন উদ্যমে কূটনৈতিক ও কূটনৈতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
• শেখ হাসিনাসহ আসামিদের প্রত্যর্পণ আহ্বান: বাংলাদেশে বিচার প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করতে বিদ্যমান বন্দি বিনিময় (Extradition) চুক্তির আওতায় ভারতের আশ্রয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য চিহ্নিত পলাতক অপরাধীদের অবিলম্বে ফেরত পাঠানোর বিনীত আহ্বান জানান বাংলাদেশ সরকার।
• শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলা: চ্যান্সেলর হিসেবে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ভারতে অবস্থানরত আসামিদের দ্রুত বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
• ভারতের অবস্থান: ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, আইনি ও নীতিগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ভারত সরকার উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। কূটনৈতিক উপায়ে সকল জটিল ইস্যুর সম্মানজনক সমাধান সম্ভব বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং উভয় দেশের উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





