প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেটা বলেন, সেটা তিনি করেন: কাদের

বিশেষ প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। কোটা থাকবে না এটা তিনি বলে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কথার ওপরে বিশ্বাস রাখা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেটা বলেন, সেটা তিনি করেন। প্রধানমন্ত্রীর কথা নড়চড় হয় না। রোববার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য করে একথা বলেন।

তিনি বলেন, অনেকগুলো কোটা আছে। এগুলো সমন্বিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কাজ থেমে নেই।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকে প্রজ্ঞাপন জারির আহ্বান জানিয়ে আসছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। তারই অংশ হিসেবে আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। মিছিলে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা জানান আজ রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে সোমবার (১৪ মে) থেকে দেশের সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

সরকারি চাকরিতে কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে গেলো ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। গত ৮ এপ্রিল রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের পর দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ এপ্রিল জাতীয় সংসদে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের কথা বলেন।

এদিকে ফেনীর ফতেহপুরে নির্মাণাধীন রেলওয়ে ওভারপাস নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ফেনীর রেলওয়ে ওভারপাসের কারণে যানজট হচ্ছে, এতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। বিকল্প কোনো পথ নেই। সবাইকে একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আমি এজন্য দুঃখিত। একটা লেন ১৫ মে খোলা হবে। এতে একটু স্বস্তি মিলবে। পুরো সমস্যা সমাধান হতে আগামী ২০-২৫ দিন লাগবে বলে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ডিপার্টমেন্ট আমাকে জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকা চট্টগ্রাম রুটে রাস্তা করেছি ফোর লেন কিন্তু তিনটি ব্রিজ দুই লেনের আছে। সেটা হচ্ছে মেঘনা, কাঁচপুর ও গোমতী। এ তিনটি সেতুতে জাপান বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এ সেতু তিনটি নির্মাণ সময়ের ৬ মাস আগে আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। ফলে এ তিনটি সেতুর নির্মাণ খরচ সাড়ে সাতশ কোটি টাকা হ্রাস পাবে। কাজেই এ কয়টা মাস এ রুটে যারা চলাচল করেন, তাদের ধৈর্য ধরতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমি একসময় থাকবো না। কিন্তু খুব ভালো লাগছে কিছু কাজ করে যাচ্ছি। কিছু কিছু কাজের সুফল পেতে হয়তো একটু সময় লাগবে। কিন্তু যখন কাজের সুফল পাবে তখন মানুষ স্মরণ করবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।