কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সহিংসতায় ঢাকায় মোট ৬৯টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। ৫৪টি ট্রাফিক বক্স পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলায় আর্থিক ক্ষতি ৮ কোটি ৭২ লাখ টাকার মতো। পরিকল্পনাকারী, আশ্রয়দাতা, প্রশ্রয়দাতা, বাস্তবায়নকারী কিংবা বিনিয়োগকারী কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। যেখানে থাকুক সেখান থেকে ধরে এনে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।
বুধবার (২৪ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে যেভাবে থানাসহ অন্যান্য সরকারি স্থাপনা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এটি কোনোভাবে ছাত্রদের আন্দোলন হতে পারে না। এটি নিশ্চিতভাবে বিএনপি-জামায়াতে সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের আন্দোলনে মিশে ছাত্র আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করার জন্য এই কাজটা করেছে। এই নাশকতার, অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে সাধারণ ছাত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য ছাত্ররা কোনোভাবে জড়িত নয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের তিনজন পুলিশ সদস্য আত্মাহুতি দিয়েছেন, তাদের নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কাজেই পুলিশ সদস্যদের যারা হত্যা করেছে, পুলিশের ইউনিফর্মে যারা আঘাত করেছে তাদের একজনকেও ছাড়া হবে না। পুলিশের ইউনিফর্মে আঘাত মানে আইজিপি স্যারের গায়ে আঘাত, আমার কমিশনার স্যারের গায়ে আঘাত। কাজেই এই আঘাত যারা করেছে তাদের একজনকেও ছাড়া হবে না।
ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার বলেন, তিন দিনে ঢাকায় ১ হাজার ৩৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে ১৫৪টি।





