পাইকগাছায় প্রতিবন্ধি পরিবারের পাশে চেয়ারম্যান কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন। প্রতিবন্ধি ব্রজেনের স্ত্রী দুরারোগ্য রোগে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় তার কাছে কোন টাকা পয়সা নাই।
ব্রজেন বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আমার স্ত্রীর অসুস্থতার কথা বলেও কেহ এগিয়ে আসেনি। তখন লস্কর ইউনিয়ন
চেয়ারম্যানের নিকট বলি। তিনি তাৎক্ষনিক সাতক্ষিরা একজন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করলেন। চিকিৎসক
অপারেশনের কথা বলেন। পরে চেয়ারম্যান তুহিন নিজ খরচে আমারসহ আমার স্ত্রীকে ভারোতের ব্যাঙ্গোলোরে পাঠান। পরে
সেখান থেকে ফিরে কলকাতায় অপারেশন করা হয়। আমার স্ত্রী এখন ভালো রয়েছে। শুধু ব্রজেন নয় তিনি উপজেলা
রাড়ুলী ইউনিয়নের কাঁটি পাড়ায় ৪ সদস্যর একটি পরিবারের ২ সদস্য প্রতিবন্ধি।
গত ২০২১ সালের ৩০ তিনি ২ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে টিন, বাঁশ, ও মিস্ত্রী নিয়ে প্রতবন্ধিদের বাড়িতে হাজির হয়ে ঘর নির্মান
করে দেয়। ইতি পূর্বে তিনি পাইকগাছা উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলায় শতাধিক প্রতিবন্ধিকে হুইল চেয়ার, ২
হাজার অসহায়, বৃদ্ধ, পাগল, ছিন্নমুলদের শীত বস্ত্র (কম্বল) ও দুই লক্ষটাকা ব্যায় করে কৃতিম পাঁ তৈরী করে
দিয়েছেন। দেলুটি ইউনিয়নে পানীয়জলের অভাব পূরণে লক্ষাধিক টাকা ব্যায়ে পুকুর খননকরে দেন। সে সাথে
দিয়েছেন আর্থিক অনুদানও।
কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন তুহিন বলেন, আমি বড় নেতা নই, আর আর আমি বড় নেতা হতে চাইনা, আমি আমার মহরম পিতার শান্তিকামনায় এ সব দান করে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন আমার একটি প্রতিবন্ধি সংগঠন রয়েছে। আমি তাদের সাথে মিলে মিশে তাদের সুখদুঃখের সাথি হয়ে ও সহযোগিতা করে যেতে চাই। আমি উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলায় ছিন্নমুল, অসহায়দের পাশে থেকে সেবা করে যেতে পারলে সেটাই আমার ধর্ম। উলেখ্য তার পিতা ছিলেন লস্কর ইউনিয়নে ২ বার সফল চেয়ারম্যান। তিনিও এ ইউনিয়নে তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এ সময় তিনি আরো বলেন আমার কাছে জাতি ধর্ম
বলতে কিছুই নেই। মানুষ সেবাই আমার কাছে বড় ধর্ম।
তার পিতা ও বড় ভাইয়ের আদর্শকে ধরে রেখে তিনি নিজের জীবনকে মানব সেবায় নিয়জিত করেছেন। তিনি যত দিন বেচে থাকবেন তথদিন প্রতিবন্ধ অসহায়,ছিন্নমুল মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাবেন বলে ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।



