সারা দেশে গত জুন পর্যন্ত জন্ম নিবন্ধন করেছে ২০ কোটি ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৭২৪ জন। দ্বৈত নিবন্ধনের কারণে সংখ্যাটি দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়ে বড় বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬।
এ প্রতিবেদনে নির্ভুল জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সাতটি সমস্যার কথা বলা হয়েছে। এগুলো হলো নতুন সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা দূর করা, একাধিক নিবন্ধন বাতিল করা, জন্মের ৪৫ দিনের মধ্য নিবন্ধন নিশ্চিত করার হার বৃদ্ধি, মৃত্যুর নিবন্ধনের হার বৃদ্ধি, বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নতুন সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন, জন্ম তারিখ সংশোধনের অস্বাভাবিক প্রবণতা কমানো এবং প্রয়োজনীয় জনবলের অভাব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ২১ বছরেও কেন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের নির্ভুল ডাটাবেইস করা যাচ্ছে না এ জন্য সরকারকে তদন্ত কমিটি করে কারণ বের করতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে গুণগত উপাত্ত প্রয়োজন, যে ডাটার ভিত্তিতে সঠিক পরিকল্পনা নেওয়া যাবে।
তিনি বলেন, দুর্বল সফটওয়্যারের কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। গত বছর সফটওয়্যারের তথ্য আপডেট করতে গিয়ে অনেকের তথ্য হারিয়ে গেছে। তাই সফটওয়্যার বদল হলেও যাতে তথ্য হারিয়ে না যায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রসঙ্গত দেশ ও দেশের বাইরে পাঁচ হাজার ৫৩২টি জায়গা থেকে জন্ম নিবন্ধন করা যায়। দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের পাশাপাশি বিদেশের বাংলাদেশি দূতাবাসে অনলাইনের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।





