নারীরা দক্ষতা ও যোগ্যতার সাথে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে –মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

নারীরা দক্ষতা ও যোগ্যতার সাথে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে –মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, নারীরা দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে। তারা সমান যোগ্যতা নিয়ে পুরুষের পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ের আড়াই লাখ নারীকে ক্যাটারিং, হাউজকিপিং, বেবি কেয়ার ও বিউটিফিকেশনসহ ৭টি ট্রেডে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা হবে। পাশাপাশি পঁয়ত্রিশটি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে নারীদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সম্মেলন কক্ষে ভার্চুয়াল মাধ্যমে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, গতকাল মন্ত্রিসভায় ডে-কেয়ার আইন, ২০২১ এর নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। ডে-কেয়ার আইন বাস্তবায়নের ফলে কর্মজীবী মায়েরা সন্তানদের নিরাপদে রেখে নিশ্চিন্তে কর্মস্থলে যেতে পারবে। এর ফলে কর্মস্থলে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। যা জাতিসংঘের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ২০৪১ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০:৫০ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিদিন সারা দেশে লাইন ধরে মানুষ করোনার ভ্যাকসিন নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কারো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার কম। উন্নত দেশগুলো চেষ্টা করেও যেখানে ভ্যাকসিন পাচ্ছে না সেখানে প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে ভ্যাকসিন পৌঁছেছে। একটি দল নির্বাচনে পরাজিত হয়ে সংগঠনে ব্যর্থ হয়ে জনসমর্থন হারিয়ে এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভ্যাকসিন সম্পর্কে নানা ধরনের কটূক্তি ও গুজব ছড়াচ্ছে। কিন্তু এদেশের জনগণ কখনোই সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কাজী রওশন আক্তার বলেন, সমতার জায়গায় পৌঁছাতে গেলে নারীর ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নারীদের কাজে লাগাতে না পারলে উন্নয়ন থেমে যাবে। নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে।

Share this news

Brinda Chowdhury
Author / Reporter

Brinda Chowdhury

Click the author name to read more stories.

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।