গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ৫৪৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ভাইরাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৩৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৭৭০ জনে। আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২১৩ জনের। এদিকে আরও ৩১৩ সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ২ হাজার ৪১৪ জন সুস্থ হলেন।
আজ শনিবার (৯ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।
দেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই মাসে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা এক দিনে দুই অংক না পেরোলেও এপ্রিলে এসেই বাড়তে শুরু করে রোগীর সংখ্যা। এরপর থেকে গেল মাসের শেষ দিক থেকে প্রায় প্রতিদিনই শনাক্ত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক রোগী।
ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই প্রথমে লকডাউন ঘোষণা করেছিল। তবে এখন বিভিন্ন দেশে সেই লকডাউনই শিথিলের ঘোষণা আসছে। তবে হু বারবার হুঁশিয়ার করে বলছে, যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে লকডাউন তোলার সিদ্ধান্ত মোটেই ঠিক হবে না।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যতদিন এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে না আসবে ততোদিন এর লাগাম টেনে ধরা কঠিন হবে। এজন্য আপাতত সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।
সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকারও নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। এমনকি এই নির্দেশ অমান্যকারীদের শাস্তিও দেয়া হচ্ছে। তবে এরপরও অকারণে রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সবশেষ ঈদ উপলক্ষে শপিং মল ও মসজিদ খুলে দেয়ার ঘোষণা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এসব জায়গায় অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের পাশাপাশি মানতে হবে সুরক্ষা ব্যবস্থা।
চীনের উহান শহর থেকে সূচনা হয়ে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ লাখ ১৪ হাজারেরও বেশি। আর মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৩৭ জনের। এসময়ের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১৩ লাখ ৮৬ হাজার।


