বাংলাদেশে পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডে নিহত দীপু দাসের পরিবারের সাথে কথা বলবেন। প্রতিমাসে অর্থ সাহায্য পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন পশ্চিম বঙ্গের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
ইতিমধ্যে দীপু দাসের পরিবারের সাথে শুভেন্দু অধিকারীর যোগাযোগ হয়েছে। তিনি দীপু দাসের অসহায় পরিবারকে পাশে থাকার বার্তা দেবেন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি সব সময় পঃবঙ্গের সর্বস্তরের হিন্দুদের দুঃসময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করি। হিন্দু হিসাবে এটা আমার নৈতিক কর্তব্য। দীপু দাস ভৌগোলিক ভাবে ভিন্ন দেশের নাগরিক হলেও সে আমার স্বজাতি হিন্দু। সুতরাং তার পাশেও আমি দাড়াবো।
দীপু দাসের পরিবারকে আমি প্রতি মাসে অর্থ সাহায্য করতে চাই। আমি তার বাড়ি থেকে অরিজিনাল Paytm নাম্বার এনে সে ব্যবস্থা করবো। দীপু দাসের পরিবারকে অর্থ সাহায্যের অনেক গুলো ব্যাংক নাম্বার ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিন্তু ভারত থেকে ব্যাংক মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়না ফরেন কারেন্সি এক্টে আটকে যাবে। একমাত্র Paytm মারফতে বিশ্বের যেকোন লোক টাকা পাঠাতে পারবেন।
দীপু দাসের পরিবারের এই দুঃসময়ে আমি আশা করবো পৃথিবীর হিন্দুরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন এবং অর্থ সাহায্য করে সহমর্মি হবেন।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস জানান, ‘ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।’
প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে ধৃতদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। র্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া সাত জন হলেন, মহম্মদ লিমন সরকার, মহম্মদ তারেক হোসেন, মহম্মদ মানিক মিয়া, এরশাদ আলি, নিজুম উদ্দীন, আলমগির হোসেন এবং মহম্মদ মিরাজ হোসেন আকন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার তিন জন হলেন, মহম্মদ আজমল হাসান সগীর, শাহিন মিয়া এবং মহম্মদ নাজমুল।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লা আল মামুন জানিয়েছেন, ধৃত ১০ জনকেই ভালুকা থানায় পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।