থাইল্যান্ডে গণভোট চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আজ রোববার গণভোটে অংশ নিচ্ছে থাইল্যান্ডের জনগণ সেনাবাহিনী প্রণীত নতুন সংবিধান ইস্যুতে। সংবিধানটিকে মেনে নিলে তা দেশটিতে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে আসার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে বলে জানিয়েছে জান্তা সরকার।

২০১৪ সালে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে কয়েক মাস টানা বিক্ষোভ করে। এ সময় ইংলাককে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী জানায়, থাইল্যান্ডকে পুরোপুরি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তারা পুরনো সংবিধানকে বাদ দিতে চায় এবং নতুন করে সংবিধান প্রণয়ন করতে চায়। রোববার নতুন সংবিধান গ্রহণ বা বর্জনের বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এদিকে বিরোধীরা এ গণভোটকে একতরফা বলে দাবি করেছে। কারণ এ গণভোট সম্পর্কে বিরোধীদের প্রচারণার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি।

নতুন এ সংবিধানে বলা হয়েছে, সত্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কোনো লেখা, ছবি অথবা শব্দ প্রচার বা প্রকাশ করা হলে সেটিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, নতুন এ সংবিধানের মাধ্যমে মত প্রকাশ ও  তথ্যের অবাধ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করা হবে।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রায় চার কোটি লোক আজকের গণভোটে অংশ নেবে। যদি সংখ্যগরিষ্ঠ লোক ‘হ্যা’ ভোটের মাধ্যমে নতুন খসড়া সংবিধানের পক্ষে অবস্থান নেয় তাহলে এটি চূড়ান্ত সংবিধান হিসেবে গ্রহণ করা হবে। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী প্রায়ূত চ্যান ওঁচা আগামী বছর দেশটিতে জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করবেন। আর যদি খসড়া সংবিধান প্রত্যাখ্যাত হয়, তাহলে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবস্থান কী হবে তা জানা যায়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।