× Banner
সর্বশেষ
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৬ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আবারও সময় চাইলেন খালেদা জিয়া

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার :  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আবারও সময় পেয়েছেন। আগামী ৫ জানুয়ারি নতুন করে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বকশীবাজার এলাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হন খালেদা জিয়া।

শুরুতে তাঁর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ‘এ মামলার একটি আদেশ নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনদায়ের করেছি, যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তাই সময় আবশ্যক।’

শুনানি শেষে বিচারক আবু আহমেদ জমাদার সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৫ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন। এর আগে ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের লিখিত বক্তব্যের আংশিক পড়ে শোনান।পরে ১৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। ওই দিন বিচারক সময়ের আবেদনমঞ্জুর করে খালেদা জিয়াকে ২২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবলট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতিরঅভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।এ মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..