ছাতক প্রতিনিধিঃ বর্নাঢ্য ও দৃষ্টিনন্দন আয়োজনের মধ্য দিয়ে ছাতক সরকারী মহুমুখী মডেল হাইস্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও শীতকালীন পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে স্কুল মাঠে আন্তঃস্কুল বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও শীতকালীন পিঠা উৎসব আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন প্রধান শিক্ষক মঈনুল হুসেন চৌধুরী। সকালে স্কুল মাঠে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা ও অলিম্পিক পতাকা উত্তালন, পায়রা অবমুক্ত এবং মশাল প্রজ্জ্বলনের মধ্যদিয়ে দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিকেলে পুরস্কার বিতরণী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী, সহকারী কমিশনার (ভুমি) সোনিয়া সুলতানা, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব আবরু মিয়া তালুকদার, অধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক সৈয়দ হারুন অর রশীদ, যুক্তরাজ্য প্রবাসী, কমিউনিটি নেতা আব্দুল দয়াছ, জেলা পরিষদ সদস্য আজমল হোসন সজল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুলিন চন্দ্র রায়, চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব জয়নাল চৌধুরী, প্রধান শিক্ষক রশিদ আহমদ, ছাতক সরকারী মহুমুখী মডেল হাইস্কুল পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য হাজী মখলিছুর রহমান, সামছুদ্দিন মিয়া প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্বে করেন প্রধান শিক্ষক মঈনুল হুসেন চৌধুরী ও অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক অজয় কৃষ্ণ পাল। পুরস্কার বিতরণীর শুরুতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি শামীম আহমদ চৌধুরী প্রতিশ্রুত ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৯ম ও ১০ শ্রেনীতে উত্তীর্ন মেধাবী শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ ও ৭ম ও ৮ম শ্রেনীর মেধাবী শিক্ষাার্থীদের ১টি করে ট্যাব উপহার দেন। প্রবাসী আব্দুল দয়াছ তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিদ্যালয়ে ১টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা প্রদান করেন। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও শীতকালীন পিঠা উৎসব উপলক্ষে স্কুল মাঠকে দৃষ্টিনন্দন সাজে সজ্জিত করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চারটি দলে বিভক্ত হয়ে মাঠের চারকোনায় বসানো হয় চারটি স্টল। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, পল্লী কবি জসিম উদ্দিন ও কবি জীবনানন্দ দাসের নামে নামকরন করা হয় এসব ষ্টলের। প্রতিটি ষ্টলে শোভা পাচ্ছিল আমাদের গ্রাম বাংলার রকমারী পিঠা-পুলি। বাংলা সংস্কৃতির ভাবধারায় হাতের তৈরী গ্রামীণ পিঠা-পুলি দিয়ে সাজানো ষ্টলগুলো যেন আমাদের বাঙ্গালীয়ানোকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। পরে প্রতিটি ষ্টল ঘুরে-ঘুরে পরিদর্শন করে অতিথিবৃন্দ। এসময় প্রতিটি ষ্টলে সাজানো পিঠা-পুলি দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করানো হয়। এসময় সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গির আজাদ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য গোলাম সারোয়ার মিঠু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রাতে স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ##





