বন্ধ বস্ত্রকল, পাটকল ও টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালুর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব হ্রাস এবং শিল্প খাতের উৎপাদন বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস লিমিটেড পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্ধ বস্ত্রকল, পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালু করা সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পুনরায় উৎপাদনমুখী করার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের শিল্প খাতের বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব প্রতিষ্ঠান কার্যকরভাবে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলসের বিষয়ে শরীফুল আলম বলেন, মিলটিকে কীভাবে পুনরায় উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়, কীভাবে এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায় এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান নিশ্চিত করা যায়, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিল্পকারখানাকে কেবল অবকাঠামোগত স্থাপনা হিসেবে দেখলে চলবে না। এগুলোকে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কার্যকর কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কারখানার বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা বিবেচনায় নিয়ে পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগের মাধ্যমে আমিন জুট মিলসসহ দেশের বন্ধ শিল্পকারখানাগুলোর সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এর ফলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, শিল্প খাতকে গতিশীল করা, বন্ধ কলকারখানার সক্ষমতা কাজে লাগানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়াই সরকারের এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা এবং আমিন জুট মিলসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।





