চট্টগ্রাম আনোয়ারায় একটি ইউনিয়ন তলিয়ে গেছে

রাজিব শর্মাঃ চট্টগ্রামে রাত ১১টার দিকে ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আশ্রয়কেন্দ্রে লোক জনের ভিড় বাড়তে শরু করেছে। এরইমধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় একটি ইউনিয়ন তলিয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’য় দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী জেলা বরগুনার সব উপজেলায় প্রশাসন ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির স্বেচ্ছাসেবকেরা সোমবার বিকেল থেকে গ্রামে গ্রামে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক বার্তা ও পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে
মাইকে প্রচারণা চালান। তবে গভীর রাত পর্যন্ত বেশিরভাগ এলাকার লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাননি।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, রাত ১১টার পর সামান্য বাতাস শুরু হলে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরপর ছুটোছুটি করে যে যার মতো করে ঘরের আসবাবপত্র, বিছানা-বালিশ ও হাঁস- মুরগি-গবাদি পশু নিয়ে পার্শ্ববর্তী অংকুজানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে দিকে ছুটতে থাকেন।
আশ্রয়কেন্দ্র থাকা স্বেচ্ছাসেবকরা রাত সাড়ে ১২টার দিকে জানান, আধা ঘণ্টার মধ্যে এই কেন্দ্রে অন্তত ৪০০ লোক আশ্রয় নিয়েছেন। তবে কেন্দ্রটিতে কোনো শুকনো খাবার, পানি ও অন্যান্য কোনো কিছুর ব্যবস্থা নেই।
পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদ তীরের গ্রাম রূহিতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে রাত ১১টার পর ৮০ থেকে ৮৫ জন লোক আশ্রয় নিয়েছেন। আমতলী উপজেলার চোড়া ইউনিয়নের কাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির আশ্রয়কেন্দ্র আশ্রয় নিয়েছেন পায়রা নদী পাড়ের ২৪টি পরিবারের অন্তত ৯০ জন।

এদিকে, রাত ১টায় বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা ত্রাণ কার্যালয়ের ওয়্যারলেস অপারেটর জানান, এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকার আশ্রয়কেন্দ্র আনুমানিক ২০ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোক আশ্রয় নিয়েছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।