× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে – শিক্ষামন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে - শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠুক। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থাকে বেশি গুরুত্ব দেই, কারণ এটা নীতি-নৈতিকতার শিক্ষা দেয়। আর সেটাই হলো প্রকৃত শিক্ষা।

কিন্তু, পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ইসলাম বিষয়ক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। তাই সিলেবাস, কারিকুলামগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে- যেন ইসলাম বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায়। এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মন্ত্রী ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ নৈতিকতা বিবর্জিত হলে দেশ ধ্বংসের দিকে চলে যায়। কে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে সরকারি কর্মকর্তা হয়েছেন সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং আমাদের কতজন সৎ কর্মকর্তা রয়েছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই মানুষের নৈতিকতার উন্নতি সাধনে ইসলামি শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ১০০ টি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানকে এবং ফাজিল ও কামিল স্তরের ২০২৩ ও ২০২৪ সালে এ প্লাস প্রাপ্ত ১৪৭ জন শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..