আজ রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। করোনাভাইরাস সংক্রমণের এই দুঃসময়ে জনসমাবেশ এড়িয়ে ভিন্ন আঙ্গিকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশে ৬ষ্ঠ বারের মতো দিবসটি পালিত হচ্ছে।
আনন্দম্ ইনস্টিটিউট অব যোগ এণ্ড যৌগিক হস্পিটালের পরিচালক যোগী পিকেবি প্রকাশ (প্রমিথিয়াস চৌধুরী) বলেন, বর্তমান মহামারী করোনা মোকাবিলায় ইমিউনিটি(রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আর এই ইমিউনিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রাণায়াম, যোগচর্চা ও মেডিটেশন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আপনার ইমিউন সিস্টেম যত শক্তিশালী হবে ততই আপনি সুস্থ থাকবেন। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া কিংবা কোন ধরণের রোগ জীবাণু সহজেই শরীরে আকরমণ করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, যোগের মাধ্যমে মানুষের ভিতরের পরিবর্তন ঘটানো যায়। যা কখনো আইনের শাসন কিংবা অন্যকোন উপকরণ দিয়ে সম্ভব হয় না। একজন মানুষ যোগের মাধ্যমে তার শরীর, মন ও আত্মার বন্ধন ঘটাতে পারেন। এর ফলে পেতে পারেন এক অদ্ভুত শান্তির অনুভূতি।
যোগ কোন নির্দিষ্ট ধর্ম/গোত্র/সম্প্রদায়ের জন্য সীমাবদ্ধ কোন বিধান নয়। মানুষের শারীরিক, মানসিক সুস্থতাবিধান ও আধ্যাত্মিক উন্নতি করার একটা পরীক্ষিত উপায়।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন বৃহত্তর পরিসরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে আসছে। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। করোনাভাইরাসের কারণে এবার খোলা প্রান্তরে বহুজনের সম্মিলনের সুযোগ রহিত। তাই আন্তর্জাতিক যোগ দিবস সামনে রেখে জনসমাবেশ এড়িয়ে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন ‘ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ইমিউনিটি বুস্টিং থ্রো ইয়োগা’ শিরোনামে সপ্তাহব্যাপী অনলাইন যোগ কর্মশালা চালু হয়। এই কর্মশালার ভিডিওচিত্র বর্তমানে ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘরে ঘরে যোগচর্চা করে নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের বিষয় ভাবনা হলো, বাড়িতে যোগ, পরিবারের সঙ্গে যোগ।
শারীরিক দূরত্বের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে পালন করার জন্য জনগণের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।





