আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৯ইং উপলক্ষ্যে ‘‘সবাই মিলে ভাবো, নতুন কিছু করো নারী-পুরুষ সমতার নতুন বিশ্ব গড়ো’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন, সমাবেশ ও র‌্যালির আয়োজন করে।

উক্ত মানববন্ধনে সংগঠনের চেয়ারম্যান এড. রবীন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সেক্রেটারী মানিক চন্দ্র সরকার, সহ-সভাপতি টিকে পান্ডে, সদস্য দিলীপ রায়, টিটু রায়,রঞ্জন মন্ডল, গৌতম মন্ডল, বিসি,এইচ,রডির নির্বাহী পরিচালক মাহাবুবুল হকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তব্যকালে সংগঠনের সভাপতি এড. রবীন্দ্র ঘোষ বলেন।

৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই দিনকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এ সংস্থার সদস্য দেশগুলো যাতে নিজ নিজ ইতিহাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী নারীকে সম্মানিত করতে পারে সেজন্য এই পদক্ষেপ নেয় জাতিসংঘ। প্রকৃতপক্ষে শোষণ ও বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে নারীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের ফসল হচ্ছে এই নারী দিবস। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নারীরা বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে? তারা কি আসলেই সেই আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে পেরেছে?

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু হওয়ার পর চার দশক পেরিয়ে গেছে। অথচ আজও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে নারী অন্যায় ও বৈষম্যের শিকার। উদাহরণ হিসেবে, নারীদের স্বাক্ষরতার হারের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উন্নয়নশীল বহু দেশে নারীদের মধ্যে এখনো উচ্চ মাত্রায় নিরক্ষরতার হার বিদ্যমান এবং তারা নানা রকম বৈষম্যের শিকার।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র উন্নত বিশ্বের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা যে হারে সহিংসতার শিকার হন জিম্বাবুয়ে এবং কম্বোডিয়ায়ও সেই একই হার বিদ্যমান। এসবের পাশাপাশি তালাক, পরিবারের কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়া, কিশোরীদের গর্ভপাত এবং নারীদের মধ্যে দারিদ্র ছড়িয়ে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়ে গেছে।কাজেই চলতি বছর এমন সময় বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হচ্ছে যখন বিশ্বের বহু নারী তাদের মানবীয় মর্যাদা ফিরে পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করছেন। ‌এ দিক দিয়ে কথিত নারী স্বাধীনতার দেশগুলোর চিত্র তুলনামূলক বেশি খারাপ। সংখ্যালঘু নারীরাও অধিক হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলেও তিনি দাবী করেন,এবং এর প্রতিকারে সংস্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।