× Banner
সর্বশেষ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটালীপাড়ায় বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার, শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো আরও ৭০ শয্যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে লজিস্টিক ব্যয় হ্রাসের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আজ দক্ষিণ কলকাতায় মিছিলে হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী

Biswajit Shil
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

ভারতে নয়া নাগরিকত্ব আইন এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরোধিতায় পথে সোমবার পথে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূলের মিছিল সোমবার বেলা ১ টায় ময়দানের কাছে রেড রোডের আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশ থেকে রওনা হয়। সেই মতো আজ মঙ্গলবারও দক্ষিণ কলকাতায় মিছিলে হাঁটার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মিছিলে জনারণ্য হতে পারে বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিলে হাঁটবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মিছিল যাদবপুরের ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে রওনা হয়ে রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক রোড হয়ে গড়িয়াহাট রোডের উপর দিয়ে আর বি অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছবে। সেখান থেকে মিছিল শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি রোড হয়ে হাজরা মোড় ছুঁয়ে এসে পৌঁছবে আশুতোষ মুখার্জি রোডে। তারপর যদুবাবুর বাজারের সভায় বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নাগরিক সংশোধনী আইন ঘিরে অশান্তির আবহেই গণতান্ত্রিক পথে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মিছিলে হাঁটার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা মাফিকই ওই দিন আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশ থেকে উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো পর্যন্ত মিছিলের নেতৃত্ব দেন তৃণমূলনেত্রী।

ওই মিছিল রওনা দেয় জোড়াসাঁকোর দিকে। সেখানে দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল এসে পৌঁছয়। জোড়াসাঁকোর সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিনব পন্থা নেন মুখ্যমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত জনতাকে নিয়ে রাজ্যে অশান্তি রুখতে শপথবাক্য পাঠ করান তিনি। এ দিন সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তৃণমূল নেত্রী।

এ দিন সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘আমরা হিংসা সমর্থন করি না। আমার কাছে প্রমাণ আছে, আপনাদের-আমাদেরই কেউ কেউ বিজেপির টাকা খেয়ে এ দিক ও দিক আগুন জ্বালাচ্ছে। এরপরেই সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ দয়া করে ট্রেনে আগুন জ্বালাবেন না। অধিকাংশ ট্রেন ভারত সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। তাতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। বার বার বলছি, ট্রেনে আগুন দেবেন না। পোস্ট অফিসে আগুন দেবেন না। রাস্তায় আগুন দেবেন না। যাঁরা আপনার পক্ষে রয়েছেন, তাঁদের সমস্যা ফেলছেন কেন?’

সপ্তাহের শুরুতেই এই মিছিলের ফলে দক্ষিণ কলকাতার যান চলাচলেও প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কায় শহরবাসী। সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবাংলায় নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কিছুতেই কার্যকর করতে দেবেন না তারা ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..