আগের পুলিশের চেয়ে এখনকার পুলিশ অনেক দায়িত্বশীল :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগের পুলিশের চেয়ে এখনকার পুলিশ অনেক দায়িত্বশীল :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের সেবার মান বেড়েছে। এখনকার পুলিশ আর আগের পুলিশ এক নয় অনেক দায়িত্বশীল। থানাগুলোতে নারী ও শিশুবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। পুলিশের ওয়ানস্টপ সার্ভিস, জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ পরিচিতি লাভ করেছে। শনিবার রাতে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মাত্র ১২টি থানা নিয়ে ১৯৭৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে। ডিএমপি বর্তমানে ৫০টি থানার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজধানীতে অগ্নিসন্ত্রাস ও জ্বালাপোড়াও দমনে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন পুলিশ দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের সেবা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনাকালে সারাবিশ্ব যখন স্থবির হয়ে পড়েছিল তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলেছে। করোনা মহামারির সময় যখন সন্তান বাবার লাশ হাসপাতাল থেকে নিতে চায়নি তখন পুলিশই তাকে দাফনের ব্যবস্থা করেছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ মাদক, সন্ত্রাস দমনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে পুলিশকে উন্নত দেশের পুলিশের কাতারে নিয়ে যেতে কাজ করছে সরকার।

অনুষ্ঠানে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা সবাই মিলে দুর্নীতির মতো সর্বশেষ কলঙ্কচিহ্ন পায়ের নিচে দলে মুছে ফেলতে চাই। দুর্নীতি আর পুলিশ একসঙ্গে চলতে ও উচ্চারিত হতে পারে না। পুলিশ থেকে দুর্নীতিকে আমরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করতে চাই। এজন্য দরকার সাহস ও আত্মত্যাগের মনোভাব। আমি মনে করি পুলিশের প্রত্যেকটি কর্মীর মধ্যে এসব রয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। পুলিশের মধ্যে যদি কোনো অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি থাকে, সেটাকে ঝেড়ে ফেলে সত্ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

Share this news

Brinda Chowdhury
Reporter

Brinda Chowdhury

Click the reporter name to read more stories.

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।