× Banner
সর্বশেষ
১৫ টাকা কেজিতে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার: খাদ্য মন্ত্রণালয় ডিএমপির অভিযানে ৪১৯ গ্রেপ্তার, ৭১ মামলা প্রথমবার এমপিও শিক্ষকদের বদলি শুরু দেশের ৫ জেলায় বন্যার ঝুঁকি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সতর্কবার্তা বেনাপোলে গণসংযোগে ইমদাদ, লক্ষ্য উন্নয়ন ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর প্রথমবার সরাসরি গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা: ৫ আগস্ট বক্তব্য দেওয়ার ঘোষণা “জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা দেশের মালিক নন, জনগণের সেবক” : ভূমি প্রতিমন্ত্রী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা চিরস্মরণীয়: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আজ ৩ আগস্ট (১৭ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ সোমবার (৩ আগস্ট) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

সালথায় কৃষি হচ্ছে অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি

Biswajit Shil
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি- ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মানুষের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি হচ্ছে কৃষি। এই এলাকার মানুষ একমাত্র কৃষির উপর নির্ভরশীল। বিভিন্ন মৌসুমে হরেক রকম ফসলের চাষাবাদ হয়ে থাকে এ উপজেলায়। সারাদেশের মধ্যে পাট-পিয়াজের জন্য বিখ্যাত এ অঞ্চলটি। ব্যবসা বানিজ্য, চাকুরি ও অনন্য পেশার সাথে সংযুক্ত রয়েছে কৃষি। কৃষির আয় ছাড়া এখানে দু-মুঠো ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা দূরস্কার।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, সালথা উপজেলায় সৃজন অনুযায়ী প্রধান ফসল পাট-পিয়াজের পাশাপশি আমন ধান, গম, ইরি ও বোরো ধান, সরিষা, আলু, তিল, কালোজিরা, খেসাড়ী, মুসুরী, মুগ, সুর্যমূখী, গর্জন তীল, মাসকালাই, ধনিয়া, রসুন, তামাক, তরমূজ, চিনা বাদাম, ভূট্টা, মিষ্টি আলু, পান, ক্ষিরাই, পানি কচু, ছোলা, মটর ডাল, বাঙ্গী, আখ, শশা, মরিচ ও মেথিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষ হয়ে থাকে। প্রতি মৌসুমে প্রধান ফসল পাট ও পিয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যায়। আসছে রবি মৌসুমে- গম, সরিষা, মুসুরী সহ অন্যান্য ফসল চাষে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছেন।

উপজেলার জগন্নাথদি গ্রামের কৃষক সুশান্ত রায় এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের দু-মুঠো ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে কৃষি কাজ। তাই এবছরে ১বিঘা জমিতে পিয়াজ, ১০ কাঠা জমিতে গম, ১০ কাঠা মুসুরী ও ২কাঠা কালোজিরার চাষ করার প্রস্ততি নিয়েছি। মাঝারদিয়া ইউপি পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ধনী কৃষক আফছার উদ্দীন মাতুব্বার বলেন, এবার ৪০/৪৫ বিঘা জমিতে পিয়াজ ও ৫ বিঘা জমিতে গম চাষ করবো। প্রতি বছর জমিতে বিভিন্ন রকমের চাষাবাদ করে থাকি। জমির ফসল দিয়েই সংসার চালাতে হয়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, গত বছরে সৃজনে পিঁয়াজের মূল্য সঠিক থাকায় এবার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে কৃষকরা অনন্য ফসলের চেয়ে পিয়াজের আবাদ বেশি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে পিয়াজের চারা বপনের কাজ চলছে। কিছুদিন পরেই পিয়াজের চারা জমিতে লাগানো হবে। পাশাপাশি অন্যান্য ফসলে বপনের কাজ শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে কৃষি অফিসের নির্দেশ মোতাবেক সময় মতো সার-কীটনাশক প্রয়োগ ও সেচ দিতে হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মাদ বিন ইয়ামিন বলেন, এই উপজেলার মানুষ কৃষির উভর নির্ভরশীল। এ বছরে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পিয়াজ চাষ করার যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে কৃষকরা। সে জন্য পিয়াজ চাষীদের যাবতীয় মরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..