× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকায় ৭৩টি এন্ট্রি দেখা যাচ্ছে। ৭৩ জনের মধ্যে সনাতন ধর্মের কোনো ব্যক্তির নাম নেই যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদে সংখ্যালঘু

বাংলাদেশের ২০২২ সালের সরকারি জনশুমারি অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ সনাতন ধর্মাবলম্বী (বেসরকারী হিসেবে অন্ততঃ ১৫ শতাংশ)। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কর্মকর্তাদের তালিকায় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকায় ৭৩টি এন্ট্রি দেখা যাচ্ছে। ৭৩ জনের মধ্যে সনাতন ধর্মের কোনো ব্যক্তির নাম নেই যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদে সংখ্যালঘু

জনসংখ্যার অনুপাতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকা উচিত নয় কি? “বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ সনাতন ধর্মাবলম্বী হলেও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে জনসংখ্যার বৈচিত্র্যের প্রতিফলন নিশ্চিত করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে।”

বাংলাদেশ পুলিশ কর্মকর্তার ওয়েবসাইটে ৭৩ জন পুলিশ কর্মকর্তার নাম রয়েছে। ওয়েবসাইটের তালিকায় এআইজি(Assistant Inspector-General of Police) পদে ৩২ জন,  এডিশনাল ডিআইজি(Additional Deputy Inspector General of Police) পদে ২১ জন, ডিআইজি (Deputy Inspector General of Police) পদে ১২ জন, এডিশনাল আইজি( Additional Inspector General of Police) পদে ৭ জন এবং আইজি(Inspector General of Police) পদে ১ জনের নাম উল্লেখিত আছে। যাদের মধ্যে কোন সনাতনী, খ্রিস্টান কিংবা বৌদ্ধ ধর্মের কারো নাম নেই। পূর্বে যারা নিয়োগ পেয়েছিলেন তাদের থেকে  অবসর, বাধ্যতামূলক অবসর কিংবা জোরপূর্বক বরখাস্ত করা কর্মকর্তাদের জায়গায় কোন সনাতন ধর্মাবলম্বীকে পদায়ন করা হয়নি। এছাড়া যথেষ্ট মেধা থাকা সত্বেও খুবই কম হিন্দুর সরকারী চাকরি নিয়োগ হয়, রিটেনে পাশ করলেও ভাইবায় গিয়ে আটকে দেওয়া হয়।

অনেকের দাবি, অতীতে যেসব সংখ্যালঘু কর্মকর্তা উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অবসর, বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরিচ্যুতির পর পরবর্তী সময়ে একই পর্যায়ের পদে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পায়নি।

এছাড়া বিভিন্ন সংখ্যালঘু সংগঠন ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। তাদের অভিযোগ, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে বৈষম্যের শিকার হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি বহুত্ববাদী সমাজে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সব সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব আস্থা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বৈচিত্র্যময় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা একটি চলমান আলোচনার বিষয়।+

পুলিশের ঊর্ধ্বতন পদে সংখ্যালঘু নেই। দেখুন ওয়েবসাইটে 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..