× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না - স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না - স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে এবং কেউ অবহেলিত থাকবে না।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় সহজলভ্য করা। বিনা চিকিৎসায় যেন কেউ মারা না যায়, তা নিশ্চিত করা। সবাইকে সততা ও সরলতার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, অনেকে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য অনেক কিছুর তুলনা করতে চান। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন একাত্তর আমাদের কী দিয়েছে? কুদ্দুস ভাইদের মতো বীর মানুষরা আমাদের একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, স্বাধীন সরকার এবং সর্বোপরি অমূল্য সার্বভৌমত্ব উপহার দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সেদিন যদি মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে তুলে না নিতেন এবং পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী রাজাকারদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়াই না করতেন, তাহলে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বই থাকত না। আজকের মন্ত্রী, সচিব, রাষ্ট্রদূত, সেনাপ্রধান কিংবা হাজারো চিকিৎসকের জন্মও এই স্বাধীন বাংলাদেশে হতো না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে কোনো চিকিৎসকের পরিচয়ে আসিনি; একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধকালীন ৯০ সদস্যের একটি দলের কমান্ডার হিসেবে উপস্থিত হয়েছি। একাত্তরের যুদ্ধের ভয়াবহতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযানে যাওয়ার সময় রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান জানাতে টিন ও বাসন পিটিয়ে সংকেত দিত। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে তারা সতর্ক হন।

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে অগ্নিসংযোগ, নিরীহ মানুষ হত্যা এবং নারীদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের বহু ঘটনা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। বিলোনিয়া সীমান্তে দায়িত্ব পালনকালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে এক তরুণীর ওপর চালানো নির্মম নির্যাতনের ঘটনাও তিনি স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..