× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

নারায়ন দেবনাথ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয় বাংলাদেশ হলে, পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশী মুসলিমদের জন্য নয় কেন?

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশে শরনার্থীদের ঢল নামবে ভেবে বাংলাদেশ ভয় পাচ্ছে। এই আশংকার পিছনে রয়েছে বাংলাদেশিদের স্বীকারোক্তি যে পঃবঙ্গে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধভাবে একদেশের নাগরিক অন্য দেশে অবৈধভাবে বসবাস করতে পারেনা। পঃবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসে যদি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাক করে তাহলে বাংলাদেশ বিপদে পড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু পঃবঙ্গে নির্বাচনের আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তবর্তী এলাকায় বিভিন্ন সভায় বিশেষ করে মতুয়া অধ্যুষিত উদ্বাস্তু অঞ্চলে প্রতিটি জনসভায় বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

কেউ যদি ভেবে থাকেন এসব অঙ্গীকার রাজনৈতিক গিমিক তাহলে ভুল হবে। পঃবঙ্গে নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধনী শুরু হলে হাজার হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের পঃবঙ্গ ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। তখন কিন্তু বাংলাদেশ এ ব্যাপারে কোন কথা বলেনি বরং বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড সিকিউরিটি ফোর্স অনুপ্রবেশকারীদের গ্রহণ করেছে কোন বাধা দেয়নি। তখন বাংলাদেশ সরকার কুটনৈতিক স্তরে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলেও কোন ফল হয়নি। কারণ অনুপ্রবেশকারীরা যে বাংলাদেশের নাগরিক ছিলো তাতে কোন সন্দেহ নেই।

পঃবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের যে তাড়াবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ এটি বিজেপির দলীয় অঙ্গীকার। তাছাড়া এই অনুপ্রবেশ ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে এবং পঃবঙ্গের সীমান্তবর্তী অন্তত ৬টি জেলার জনবিন্যাস ও ডেমোগ্রাফি পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। পঃবঙ্গ তথা ভারতের অস্তিত্বের প্রশ্নেই ভারত সরকার অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবে।

বাংলাদেশ কিভাবে এই সমস্যা মোকাবেলা করবে সেটা বাংলাদেশের ব্যাপার। তবে ভারত মায়ানমারের মতো হয়তো বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবেনা কিন্তু তাড়াবে যেভাবে অসম থেকে তাড়ানো হচ্ছে।

বাংলাদেশের সংসদে NCP সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন যেভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন তাতে মনে হচ্ছে ভারত বাংলাদেশ দখল করে বাংলাদেশি মুসলিম শরনার্থীদের তাড়াবে। ভারত ভারতীয় মুসলমানদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করবেনা যারা বাংলাদেশি আজ থেকে ১৫/২০ বছর আগে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় আধার কার্ড ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে বাড়িঘর জমিজমা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা-মসজিদ গড়ে তুলেছিলেন তাদের শুধু তাড়াবে। ভারতীয় মুসলিমদের সাথে ভারতীয়দের কোন বিরোধ নেই।

ভারত মায়ানমারের মতো রাতারাতি রোহিঙ্গাদের যেভাবে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিলো সেভাবে তাড়াবেনা কিন্তু ভারতে বসবাসরত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিরুনি তল্লাশি করে পুশব্যাক যে করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ অনুপ্রবেশ ভারতের একটি জাতীয় সমস্যা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..