× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেটে মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
সিলেটে মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিলেট নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনসহ বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ, আগাম বন্যা ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কবল থেকে রক্ষায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২ মে) বেলা ১১টার দিকে সুরমা নদীর তীরে চাঁদনীঘাট এলাকায় এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এর আগে সকালে বিমানযোগে ঢাকা থেকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম সিলেট সফর।

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং নগরবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

ভৌগোলিক কারণে টিলা ও নদীবেষ্টিত সিলেট নগরীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ১৩টি প্রাকৃতিক ছড়া সরাসরি সুরমা নদীতে গিয়ে মিশেছে। বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির ফলে এসব ছড়া দিয়ে নদীর পানি উল্টো নগরীতে প্রবেশ করে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে। মূলত ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার অভিজ্ঞতা থেকেই এ প্রকল্পটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় নগরীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট—কাজীরবাজারের বৈঠাখাল, ছড়ারপাড়ের গোয়ালীছড়া এবং বোরহানউদ্দিন এলাকার হলদিছড়ায় আধুনিক স্লুইসগেট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প স্থাপন করা হবে। এতে নদীর পানি নগরীতে প্রবেশ রোধের পাশাপাশি বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে।

এছাড়া শাহপরাণ সেতু থেকে বাদাঘাট সেতু পর্যন্ত সুরমা নদীর দুই তীরের প্রায় সাড়ে ১৭ কিলোমিটার এলাকা উঁচু করা হবে। যেখানে পাড় উঁচু করা সম্ভব নয়, সেখানে নির্মাণ করা হবে ফ্লাড ওয়াল বা বন্যা প্রতিরক্ষামূলক দেয়াল।

প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেবে সরকার। সিসিক সূত্র জানায়, প্রকল্পটি বিদেশি সহায়তায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্প উদ্বোধনের আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁওয়ে বাসিয়া খাল খননকাজের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তার। এরপর বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ উদ্বোধন এবং বিকেল ৫টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দলীয় সভায় অংশ নেবেন তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..