× Banner
সর্বশেষ
বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল পেঁয়াজ সংরক্ষণে কৃষকদের আরও ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেবে সরকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট-পেজ, বিভ্রান্তি এড়াতে সতর্ক থাকার আহ্বান সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রস্তুতি, গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই

হারিয়ে যাচ্ছে সালথার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯

আবু নাসের হুসাইন, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প এক সময়ে খুব সুনাম বা কদর ছিলো। নানা প্রতিকুলতায় ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর পালপাড়া, গট্টি ইউনিয়নের রসুলপুর পালপাড়া ও আটঘর ইউনিয়নের গৌড়দিয়া পালপাড়া ছিলো মৃৎশিল্পের প্রাণকেন্দ্র।

এ দুটি গ্রামসহ উপজেলার আটটি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ২শতাধিক মৃৎশিল্পী রাত দিন কাজ করতো। তারা মাটি দিয়ে হাড়িঁ, পাতিল, বাসন-কোসন, কড়াই, ঢাকনা, কলকি, পেয়ালা, কলসি, ফুলদানি প্রভূতি তৈরিতে ব্যস্ত ছিলো। ছোট ছেলে-মেয়েরা তৈরি করতো হরেক রকমের পুতুল। এসব মৃৎশিল্প উপজেলাসহ আশপাশের বাজারগুলোতে বিক্রি করে সংসার চালাতেন মৃৎশিল্পীরা। কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যবাহী এই পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। বর্তমানে উপজেলার কয়েকজন মৃৎশিল্পী তাদের বাপ-দাদার আদি পেশা কোনমতে আকঁড়ে ধরে আছেন।

মাটির তৈরি তৈজ্যষপত্রের স্থান দখল করে নিয়েছে এল্যুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈজ্যষপত্র। এগুলোর দাম বেশি হলেও অধিক টেশসই হয়। তাই মাটির তৈরি তৈজ্যষপত্র এখন আর কেউ ক্রয় করতে চায় না।

কয়েকজন মৃৎশিল্পী এ প্রতিবেদককে জানান, তাদের ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি জিনিসপত্রের কদর ও বিক্রয় কম হওয়ায় পর্যায়ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে মৃৎশিল্প। এ কারণে তাদের সংসার চালাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। তারা আরও জানান, সরকারী-বেসরকারী এনজিও থেকে সার্বিক সহযোগিতা পেলে তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..