× Banner
সর্বশেষ
মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  পাইকগাছায় গাজাসহ আটক এক জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের নামে কৃষি ক্যাম্পাসের নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি ১৭ বছরে একটি সরকার ক্ষমতায় থেকে লুটপট করে বাংলাদেশ থেকে ২৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে -এসএম জিলানী  গরের বাংলাদেশ সফরের সমাপ্তি, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

ডেস্ক

আবার জামায়েতকে নিয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে যাচ্ছে বিএনপি

Ovi Pandey
হালনাগাদ: শনিবার, ২৯ জুন, ২০২৪
জামায়েতকে নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে বিএনপি

শরিক দল জামায়েত ইসলামীর সঙ্গে বিভেদ ও দূরত্ব ভুলে আবারও সঙ্গে নিয়ে ‘সরকার পতনের’ আন্দোলনে নামতে যাচ্ছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, যে যাই বলুক, লক্ষ্য অর্জনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারবিরোধী সবাইকে এক করেই মাঠে নামবেন তারা। তবে যুগপৎ শরিকরা বলছেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিলে ব্যত্যয় ঘটবে আন্দোলনে। এমন হলে সিদ্ধান্ত বদলাবেন তারা।

২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির প্রধান শক্তি হয়ে পাশে ছিল জামায়াতে ইসলামী। শরিক দল জামায়েত ইসলামীর সঙ্গে কয়েক বছর দূরত্ব থাকলেও আবার নতুন করে সরকারবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কয়েক দফা বৈঠকও করেছে বিএনপি।

সে সময় বেশ শক্তি প্রদর্শনও করে ইসলামী চিন্তাধারার এই দলটি। সেই সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা দণ্ডিত হলেও বিএনপির নিষ্ক্রিয়তায় টানাপোড়েন বাড়তে থাকে তাদের সঙ্গে। একইসঙ্গে বিএনপির ওপর বাড়তে থাকে আন্তর্জাতিক চাপও।

এর মাঝে হয়ে যায় দুই দুটি জাতীয় নির্বাচন। অনেকটা প্রকাশ্যে আসে বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব। তবে বেশ কয়েকটি সামাজিক অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা সে দূরত্ব ও ভেদাভেদ ভুলে আবারও একসঙ্গে পথ চলার ইঙ্গিতও দেন।

জামায়াত নেতারা বলছেন, সম্প্রতি সরকার পতনের একদফা দাবির আন্দোলনের ব্যর্থতার পেছনে রয়েছে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক কয়েকটি দল। যাদের কারণেই বিএনপির সঙ্গে মতবিরোধ ও দূরত্ব বেড়েই চলেছে তাদের।

দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেন, আমাদের দিক থেকে কোনো কমতি আছে বলে মনে করি না। কোনো রাজনৈতিক দল কোনো রাজনৈতিক দলের শত্রু না। সবাই মিলেমিশে কাজ করতে চাই। কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠে একসঙ্গে নামতে হবে। এখানেই ঘাটতি আছে।

সেই ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের কারণে একসঙ্গে আন্দোলন করা সম্ভব হয়নি। সেখানেই ঘাটতি হয়েছে। আন্দোলনে ত্রুটি আছে। না থাকলে তো আন্দোলন সফলতার দিকে চলে যেত।’

তবে এ নিয়ে বাম দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও শরিকরা বলছেন, জামায়াতকে নিয়ে বিএনপি আন্দোলনে গেলে নতুনভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। ইঙ্গিত দেন, আন্দোলনে হতে পারে ছন্দপতন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে জামায়াত নেই, বাইরে আছে। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি কীভাবে সমঝোতা করবে সেটা তাদের বিষয়। কিন্তু যুগপৎ আন্দোলনে বড় ধরনের ব্যত্যয় ঘটবে, এমন কোনো পদক্ষেপ বিএনপি নেবে বলে আমি চিন্তা করছি না। পরে কী ধরনের কলাকৌশল হয় তার ওপর আমরা পদক্ষেপ নেবে।

বিএনপি নেতারা বলছেন, জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব থাকলেও তা কমে এসেছে। কারও কথায় কান দিয়ে নয়, সরকার পতনের লক্ষ্যে জামায়াতকে একসঙ্গে আন্দোলনে চান তারা।

দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেন, জামায়াতের সঙ্গে একটা দূরত্ব ছিল, যেটা এখন আর নেই। অনেকেই অনেক কথা বলবে। এসব না শুনে সবাইকে এক হয়ে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। না হলে কোনো লাভ হবে না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..