× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

সন্ত্রাসের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের নাম জোড়ার চেষ্টা কামাল হাসানের

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৭

প্রতিবেশী ডেস্কঃ আরও একবার সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়ানো হল সনাতনী হিন্দু ধর্মের নাম। হিন্দু ধর্ম নিয়ে এই নোংরামো খুব একটা বিরল নয়ে। সাধারণত বামপন্থী এবং নিজেদের সেকুলার বলে দাবি করা কিছু ব্যাক্তি, সন্ত্রাসবাদের ধর্ম নেই বলে প্রচার করেই সন্ত্রাসের সঙ্গে সনাতনী হিন্দু ধর্মের নাম যোগ করে থাকেন। তবে এবার সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সনাতনী হিন্দু ধর্মের নাম জড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করল, নরেন্দ্র মোদীর নোট বন্দীর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা তামিল অভিনেতা কামাল হাসান।

তামিল দৈনিক আনন্দ ভিকেতনে এই দক্ষিণী অভিনেতা লিখেছেন, অতীতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি হিংসায় জড়াতো না। বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করত। কিন্তু এখন হিংসার পথে নেমে এসেছে তারা। তাঁর মতে, ‘সত্যমেব জয়তে’র ওপরে ভরসা হারাচ্ছে হিন্দুরা। বরং শক্তি প্রদর্শনের রাস্তা বেছে নিয়েছেন তাঁরা। হিন্দু সন্ত্রাসবাদী নেই, আর জোর গলায় বলতে পারবে না হিন্দুত্ববাদী দলগুলি। বরং এখন তাদের শিবির থেকেও সন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে।

তামিল অভিনেতা কামাল হাসান রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। কামাল নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘গত ৪০ বছর ধরে আমার পছন্দের রং স্পষ্ট করেছি। এটা নিশ্চিতভাবেই গেরুয়া নয়।’ অর্থাৎ ভারতীয় ধর্ম সনাতনী হিন্দুদের কথা বলে এমন কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিনি যুক্ত হতে চান না।

হাসানের এই লেখা থেকে পরিস্কার ভাবে বোঝা যাচ্ছে, সনাতনী হিন্দু সমাজ যদি আক্রান্ত হওয়ার পরেও চুপ করে সহ্য না করে একই পদ্ধতিতে সেটার প্রতিবাদ করে, তা হাসানের মোটেই পছন্দ হবে না। ভারতের বামপন্থী এবং তথা কথিত সেকুলারদের সুরে সুর মিলিয়েই হাসান, হিন্দু ধর্ম ও সমাজের উপর হয়ে চলা একের পর এক আক্রমণের জবাব কেই হিন্দু সন্ত্রাস বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাই এইসব মানুষদের মন্তব্য বা লেখা দেখে প্রশ্ন জাগছে,

ধর্মের নামে ১৯৪৭ সালে ভারতকে ভাগ করা বন্ধ করতে যে আক্রান্ত হিন্দুরা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে প্রতি-আক্রমণের রাস্তাতে হেঁটে ছিলেন, যে হিন্দুবীরদের সশস্ত্র প্রতিরোধের ফলে কলকাতার পূর্ব পাকিস্তান ভুক্তি ঘটেনি তাঁরাও কি তবে সন্ত্রাসবাদীই ছিলেন??


এ ক্যটাগরির আরো খবর..