× Banner
সর্বশেষ
কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি নেতাসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিজের পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে – ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী বিরোধীদের সমালোচনার মাঝেও মোদীর পাশে NDA শরিকরা, প্রশংসায় পবন কল্যাণ ও নাইডু এমবিউমোর জোড়া গোলে স্ন্যাপড্রাগন কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টারের কাছে ট্রফি হারাল সিটি যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, ৩ অঞ্চলের নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত আজ ২ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২ আগস্ট (১৬ শ্রাবণ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বকর্মা পূজা আজ

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাধারণত শারদোৎসবের ঠিক আগেই বাঙালি সনাতন ধর্মালম্বীরা মেতে উঠত বিশ্বকর্মা পুজোতে৷ ভাদ্র মাসের সংক্রান্তিতে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তেমন ব্যতিক্রম না হলে প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের ১৭ তারিখ ( এবারে মতো কখনও কখনও বা ১৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্বকর্মা পুজো হতে দেখা যেত ৷ তবে ইদানিং কারখানা বন্ধের জেরে এবং গণেশের চাপে পিছু হটছেন বিশ্বকর্মা? এখন শারদোৎসবের প্রাক্কালে বিশ্বকর্মার বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছেন যেন গণেশ৷ শুধু তাই নয় পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এলাকার পর এলাকা জুড়ে গণেশ অনুগামীদের যেরকম প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়ছে তাতে আগামী দিনে বাঙালি সমাজে মা দুর্গারও বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন তারই বড় পুত্রটি ৷

আগে শিল্পের অবস্থা যখন ভাল ছিল তখন বরং বিভিন্ন কারখানায় রমরমিয়ে চলত বিশ্বকর্মা পুজো৷ কিন্তু কয়েক দশক ধরে কারখানার দরজায় দরজায় তালা ঝোলায় এখন বিশ্বকর্মা পুজো সেই কৌলিণ্য হারাচ্ছে ৷ যদিও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বেড়া টপকে প্রকৃত উৎসবের পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গদেশে সরস্বতী এবং বিশ্বকর্মা পুজোই উদাহরণ৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরস্বতী পুজোর অঞ্জলি দিতে যেমন অহিন্দু ছাত্রদেরও দেখা যায় তেমনই কারখানায় বিশ্বকর্মা পুজোর দিন অন্য সম্প্রদায়ের শ্রমিক ও তার পরিবারের লোকেরা হুল্লোড়ে মাতে৷

বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে প্যান্ডেলকে কেন্দ্র করে জাত ধর্ম নির্বিশেষে কারখানার শ্রমিকদের তরল নেশায় মেতে ওঠার ছবিটা৷ কয়েক দশক আগেও এমন ঘটা করে পাড়ায় পাড়ায় খুঁটিপুজো হতে দেখা যেত না ৷ বরং দুর্গাপুজোর কিছুদিন আগে এই বিশ্বকর্মা পুজোর দিনেই যেন শারদোৎসবের আভাস মিলত ৷ আর এই দিনটিতে শ্রমিক -মালিকের চেনা সম্পর্কের সমীকরণটা অন্যরকম থাকত ৷

গোটা বছরের মধ্যে একমাত্র এই দিনটাতে যেন বোঝান হত কারখানাটা শ্রমিকদের৷ একদিনের জন্য হলেও বিশ্বকর্মা পুজোয় অন্য মর্যাদা আর স্বীকৃতি পেত শ্রমিকরা৷ শ্রমিক -মালিকের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এর থেকে ভাল কোনও চিত্র ছিল না৷ যদিও সময়ের তালে এদের মধ্যকার প্রতিদিনের সম্পর্ক অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়, অবনতির জেরে অনেক কারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া বের হওয়া বন্ধ হয়েছে ৷ জানি এক হাতে তো তালি বাজে না, শিল্পবিরোধের জন্য উভয় পক্ষই দায়ী ছিল৷ যুক্তি পাল্টা যুক্তি উভয়েরই আস্তিনে রয়েছে৷ আর কারখানাই যদি না থাকে তাহলে বিশ্বকর্মাই বা কোথায় এসে উঠবেন ৷ যন্ত্রপাতি মেশিনপত্রের মধ্যেই তো বিরাজ করেন বিশ্বকর্মা৷ ফলে বিশ্বকর্মার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখছে এখন বড় ভরসা হল গ্যারাজ, বাসের গুমটি অটো স্ট্যান্ড ইত্যাদি ৷

মে দিবসকে শ্রমিক দিবস পালন করতে উৎসাহী বামেরা ৷ বঙ্গজ কমিউনিস্টরা জন সংযোগের জন্য পুজোর আয়োজনে পক্ষপাতি নন৷ তাই ৩৪ বছরের শাসনেও উপলব্ধি করতে পারেনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিনটাই এক অর্থে শ্রমিক দিবস৷ শুধু তাই নয় শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক স্থাপন তথা শিল্পে শান্তি স্থাপনে এই দিনটাকে প্রতীকি হিসেবে কাজে লাগানোর প্রয়োজন বোধ করেননি ৷ ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে ৷


এ ক্যটাগরির আরো খবর..