× Banner
সর্বশেষ
২০ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা কমিশনের শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট সচিবালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন সূর্যের পৃষ্ঠে লুকিয়ে ছিল যে রহস্য বোরকাপরা নারীর ইশারায় থামে বাস, ২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার বিতর্কিত সেই পরিকল্পনার জন্য ক্ষমা চাইলেন ফিফা সভাপতি দেশের সব নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জেরুজালেম ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হতে জর্ডানে মুসলিম দেশগুলোর বৈঠক

অর্থনীতি সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জিএসপির সুবিধা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জিএসপি

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশি পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে অগ্রাধিকারযুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার (জিএসপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বললেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট আর্ল মিলারের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে একথা বলেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় অর্থমন্ত্রী মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি থমকে গেছে। এ মহামারির কারণে সব থেকে বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগগুলোকে। মানুষের জন্য খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্বল্প আয়ের মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এ মুহূর্ত সবচেয়ে জরুরি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে বাংলাদেশের জন্য জিএসপি সুবিধা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই বছর দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি (টিকফা) স্বাক্ষরিত হয়। তবে এত বছর পার হলেও জিএসপি সমস্যার মীমাংসা এখনও হয়নি।

করোনা মহামারির প্রভাবে সৃ্ষ্ট বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে যুক্তরাষ্ট্র এখন জিএসপি দিয়ে এবং আরও বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে।

এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী। প্রকল্প সহায়তা, খাদ্য সহায়তা এবং পণ্য সহায়তা হিসেবে এ যাবৎ ৪৬০ কোটি ডলার সহায়তার জন্য এবং করোনা প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়ামূলক কর্মসূচিতে ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার জরুরি সহায়তার জন্যও অর্থমন্ত্রী কৃতজ্ঞতা জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..