× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

যশোরের খাবার স্যালাইন উৎপাদন কেন্দ্রের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

যশোর অফিস: যশোরের সরকারি খাবার স্যালাইন উৎপাদন ও সবরাহ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিকতার অভিযোগ উঠেছে। তার কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ অফিসের অন্যান্য সহকর্মীরা।

নির্ভরযোগ্যসুত্রে জানাগেছে, যশোর ঘোপ সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত সরকারি খাবার স্যালাইন উৎপাদন ও সবরাহ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার অধীর কুমার ঘোষ এর অপকর্মের শেষ নেই। নারী কেলেংকারীর অভিযোগে তাকে এর আগেও স্টান্ডরিরিলজ করা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর অফিসের এক নারী উৎপাদন কর্মীকে একটি কক্ষের ভিতর আটকে রেখে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেন অধীর কুমার ঘোষ । অফিস শেষে সহকর্মীরা বের হয়ে হয়ে গেলে কৌশলে ম্যানেজার ওই নারী উৎপাদন কর্মীকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। ওই নারী কর্মী কেন সময়মত অফিস করে না এবং কাজকর্মে ফাঁকি দেয় বলে নানা অভিযোগ তুলে তাকে ধমক দেন। এমনকি প্রায় আধা ঘন্টা ওই নারী কর্মীকে কক্ষের ভেতর অবরোধ করে নানা ভয়ভীতি দেখান। এক পর্যায়ে ম্যানেজার তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করার প্রস্তাব দেন। ম্যানেজারের চালাকি বুঝতে পেরে ওই নারী কর্মী গোপনে মোবাইল ফোনে অপর এক সহকর্মীকে বিষয়টি অবগত করেন। এ সময় অধীর কুমার ঘোষ জোর করে ওই নারী সহকর্মীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করেন। অফিসের অন্যান্য সহকর্মীরা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন । ঘটনাটি ফাঁস না করার জন্য ম্যানেজার সবাইকে ভয়ভীতি দেখান। এ নিয়ে অফিসের অন্যান্য সহকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক তোড়পাড় চললেও ম্যানেজারের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

সুত্র বলছে, শুধু নারী কেলেংকারী নয়,ম্যানেজার অধীর কুমার ঘোষ এর আগে অফিসের একাধিক সহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতন করেছেন। কিন্তু ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করার সাহস পায়নি। তিনি ভয়ভীতি দেখিয়ে সবাইকে ম্যানেজ করে ফেলেছেন। গত ৫/৬ মাস আগে ম্যানেজার অফিসের ইকুভমেন্ট ক্লিনার সিরাজুল ইসলামকে মারপিট করেন।

এছাড়া নাইটগার্ড জহুরুল ও মালেক খলিফাকে একইভাবে নির্যাতন করলেও আজও পর্যন্ত ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

সুত্রবলছে, কাচামালের সবরাহ না থাকায় এখন স্যালাইন উৎপাদনের কাজ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু অফিসের গোডাইনের অলিখিত প্রচুর কাচামাল জমা আছে। ম্যানেজার গোপনে ওই কাচামাল চুরি করে রেখেছিলেন। বর্তমানে তা কালোবাজারের বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলে ম্যানেজারের মজুদকৃত ওই কাচামাল উদ্ধার করা সম্ভব বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগেও সরকারি কাচামালের নয়ছয় করে ম্যানেজার তা কালোবাজারের বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। সরকারী খাবার স্যালাইনের কাচামাল কালোবাজারে বিক্রি ও ভুয়া বিল ভাউচার দাখিল করে ম্যানেজার লাখ লাখ টাকা লোপট করছেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাবার স্যালাইন উৎপাদন ও সবরাহ প্রতিষ্ঠানের এক জন্য কর্মী জানান, ‘ম্যানেজারের নারীঘটিত কর্মকান্ডের বিষয়টি নতুন নয়। এর আগেও নারী কেলেংকারীর জন্য তাকে স্টান্ডরিলিজ করা হয়েছিল।’

অভিযোগের ব্যাপারের যোগাযোগ করা হলে খাবার স্যালাইন উৎপাদন ও সবরাহ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার অধীর কুমার ঘোষ বলেন, ‘এ সমস্ত অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।’ এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য যশোরের সিভিল সার্জন দিলীপ কুমার রায়ের মোবাইল ফোনে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যান্ত্রিকত্রুটির কারনে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..