× Banner
সর্বশেষ
চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় স্পেনকে অভিনন্দন জানা‌লো বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর সহকারী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় ২ বিলিয়ন ডলার, চাপ বাড়ছে রিজার্ভে – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় দ্যা নিউজ ডটকমের সড়কের আগাছা পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ শার্শার গোগায় ট্রাক্টর ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ মালয়েশিয়া সীমান্তে ৬৪১ অবৈধ অভিবাসী আটক, বাংলাদেশি ৭৩ জন আজ ২০ জুলাই (৩ শ্রাবণ) সোমবারে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় অশ্রুসিক্ত বিদায় মেসির, বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ হলো এক কিংবদন্তির অধ্যায় আজ সোমবার (২০ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

বেনাপোল কাস্টমসের হয়রানি কারনে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধ

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব ঘাটতি

মোঃ মাসুদুর  রহমান  শেখ বেনাপোল (যশোর): বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তা দ্বারা  শুল্কায়ন ও পণ্য পরীক্ষনে হয়রানির বন্ধের প্রতিবাদে শুল্কায়ন কার্যক্রম  বন্ধ করে দিয়েছে বেনাপোল সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন। এদিকে শুল্কায়ন কার্যক্রম বন্ধের কারনে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
রোববার ( ১৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের তিন নম্বর ও চার নম্বর গ্রুপের কাজ বন্ধ করে দেয় বেনাপোল সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন।
জানা যায়,বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউসে ডাটাশিট ভ্যালু মানলেও ব্যতিক্রম শুধু বেনাপোলে। বেনাপোলে মিনিমাম ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু বা রেফারেন্স ভ্যালু মানা হয়না। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা রাজস্ব টার্গেট পূরণের লক্ষ্যে ইচ্ছামত পন্যের শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণ করেন। ইচ্ছামত আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করায় আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব হয়রানির কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি ছেড়ে দিচ্ছেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান,  পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কোন নিয়ন কানুনের তোয়াক্কা না করে  কাস্টমস কর্মকর্তারা দির্ঘ দিন ধরে হয়রানী ও অনিয়ম করে আসছে। এতে যেমন ব্যবসায়ীরা অর্থনৈতিক ভাবে লোকশান গুনছেন তেমনি দ্রুত পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। বার বার এ অভিযোগ দিয়েও সমাধান আসেনি। অবশেষে প্রতিবাদ জানিয়ে শুল্কায়ন ও পরীক্ষন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানিকৃত পণ্যের একটি ফাইল গ্রুপে নিয়ে গেলে তারা ইচ্ছামত এইচএস কোড পরিবর্তন করে এবং ভ্যালু পরিবর্তন করতে চাই। তারা পূর্বের কোন এইচএস কোড বা পূর্বের কোন রেফারেন্স ভ্যালু ডাটাশিট ভ্যালু মানতে চায় না। জোর করে তারা ১০ পার্সেন্ট এর  পন্য ২৫ পার্সেন্টে এ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।এ ধরনের সমস্যা গুলো বেশি হচ্ছে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের তিন নম্বর ও চার নম্বর শুল্কায়ন গ্রুপে। বর্তমানে এই দুই গ্রুপে কর্মরত দুই কাস্টমস অফিসার এ ধরনের কাজ করে থাকে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, বেনাপোল কাস্টমসের একটি পরীক্ষান গ্রুপ  (আইআরএম) ইনভেস্টিগেশন রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক পণ্য পরীক্ষা নিয়েও রয়েছে নানা জটিলতা। তারা আমদানিকৃত একই পণ্য এখন তিন বার পরীক্ষন করতে যায়। প্রথমে একবার ইন্সপেক্টর মাল পরীক্ষন করে আসার পর সে পন্য আবার দ্বিতীয় বার সুপারিনটেন্ডেট পরীক্ষন করতে যাচ্ছেন। পরবর্তীতে তৃতীয় বার  পরীক্ষানে যায় ডেপুটি কমিশনার। একই পন্য তিনবার আলাদা আলাদাভাবে পরীক্ষন করার কারণে তিনবার লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, একই পন্য তিন বার পরীক্ষন করার কারণে সময় লেগে যাচ্ছে কয়েক দিন। এছাড়া একটি পণ্য পরীক্ষন করে তার রিপোর্ট নিতে এখন সময় লাগছে সাত থেকে দশ দিন ।অনেক সময় আবার ১৫ দিনও সময় লেগে যাচ্ছে । এসব হয়রানির প্রতিবাদে আমাদের কোন স্টাফ বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কাজ করতে চাচ্ছে না।
বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, কাস্টমসের কিছু কর্মকর্তা হয়তো ভালভাবে কাজ বোঝেন না তাতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া অবৈধ সুবিধা বঞ্চিত হয়েও এক শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা এ কর্মবিরতীতে যোগ দিয়েছেন। তবে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সার্থে চলমান সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..