মাটির টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানীদেরকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে -কৃষিমন্ত্রী

মাটির টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানীদেরকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে -কৃষিমন্ত্রী

আমাদের দেশের মূল সম্পদ হলো মাটি ও পানি। ছোট দেশে বেশি জনসংখ্যার জন্য খাদ্য এই মাটি থেকে উৎপাদন হয়। অধিক ফসলের জন্য সার ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটার জন্য মাটির স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হচ্ছে, মাটির স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে সেগুলো ভালো ফল দেবে না। মাটির টেকসই ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানীদেরকে আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

আজ ঢাকায় খামারবাড়িতে কেআইবি মিলনায়তনে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবসের আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সহযোগিতায় কৃষি মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কোনোক্রমেই অসাংবিধানিক পদ্ধতিতে সরকারের পতন হবে না বলে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে আর হুমকি দিয়ে নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকারের পরিবর্তন হবে। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ হবে। এ বিষয়ে সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। কাজেই, সরকারের পতন ঘটাতে চাইলে বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে, নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আবার ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সারও লাগবে। সবকিছু ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেজন্য, মাটির টেকসই ব্যবহার করতে হবে। এখানে বিজ্ঞানীরা দুর্বল ভূমিকা রাখছে। বিজ্ঞানীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনেও হাতেকলমে বা মাঠের শিক্ষা নিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ১০ ডিসেম্বর সমাবেশ করে বিএনপি কিছুই করতে পারবে না। আর বাড়াবাড়ি করতে চাইলে মতিঝিল থেকে হেফাজত যেরকম ভাবে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, সেরকম পরিষ্কার হয়ে যাবে। যে কোনো মূল্যে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হবে। তিনি বলেন, সমাবেশে লোক সমাগম কম হওয়ার ভয়ে বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করার গোঁ ধরে আছে।

মন্ত্রী বলেন, অনেকেই চায় অর্গানিক এগ্রিকালচার করতে। কিন্তু এটা দিয়ে কি এত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কি সম্ভব? আমাদের প্রয়োজন এক বিঘায় ৩০ মণ ধান উৎপাদন করা। কিন্তু শুধু জৈব সার দিয়ে তো এত উৎপাদন হবে না।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ রুহুল আমিন তালুকদারের সভাপতিত্বে ভূমিসচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজীর আলম, মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ কামারুজ্জামান, এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোঃ বখতিয়ার।

 পরে মন্ত্রী ‘ল্যান্ড ডিগ্রেডেশন ইন বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন এবং সয়েল কেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস পুরস্কার প্রদান করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।