× Banner
সর্বশেষ
আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী বেনাপোলে জেলা যুবদল নেতা ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি ৫ আগস্ট উদ্বোধন জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত বগুড়ায় জমি বিরোধ; সাবেক সেনাসদস্যকে পিটিয়ে হত্যা পররাষ্ট্র-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাতে শিক্ষিকা নিহত স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে বাগেরহাটে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি নেতৃবৃন্দের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার আল্লাহ কেন মোক নেয় না; সন্তানদের অবহেলায় পঙ্গু বৃদ্ধ বাবার আক্ষেপ

পোশাক রপ্তানিতে ভারত বাংলাদেশকে পেছনে ফেলছে

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রতিবেশী ডেস্কঃ পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। এর কারণ সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তৈরি পোশাকে বৈচিত্র ও নতুন বাজার ধরতে না পারলে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি বাণিজ্যে ভারতের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারবে না।

রানা প্লাজা ধসের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভালো করতে পারছে না বাংলাদেশ। গত বছর ৫৩০ কোটি ৫৬ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। ২০১৫ সালে রপ্তানি হয়েছিল ৫৪০ ডলারের পোশাক। সেই হিসাবে গত বছর রপ্তানি কমেছিল ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এদিকে ভারত সরকার ২০১৬ সালে দেশটির তৈরি পোশাকশিল্প খাতে ৮৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ’(এক ধরনের অর্থনৈতিক ত্রাণ প্রকল্প) ঘোষণা করেছে। এতে দেশটি বাংলাদেশ পেছনে ফেলার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

বিজিএমইএ সহসভাপতি মোহাম্মদ নাসির বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সম্ভাবনাময় একটি বড় বাজার হতে পারে রাশিয়া। কারণ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক আমদানিকারক দেশ সেটি। তবে রাশিয়ার পোশাক বাজারের একটা বিরাট অংশ বর্তমানে দখল করে আছে চীন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তুরস্ক।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় বাজার। তবে দেশটিতে ভিয়েতনাম ও ভারতের কাছে হেরেই চলেছে বাংলাদেশ। দেশ দুটি যেখানে বাজার হিস্যা বাড়াচ্ছে, বাংলাদেশের সেখানে কমছে। যুক্তরাষ্ট্রে গত বছর মোট পোশাকের ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ জোগান দিয়েছিল বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে সেটি কমে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের বাজার হিস্যা ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ থাকলেও এবার সেটি বৃদ্ধি করে ১৪ দশমিক ২৬ শতাংশ করে নিয়েছে ভিয়েতনাম। আর ভারত ৪ দশমিক ৫১ শতাংশের বাজার হিস্যাকে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশে উন্নীত করেছে।

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে দেখা যায়, বছরের প্রথম ১০ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে ছয় হাজার ৮৪১ কোটি ডলার বা পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৯৬২ কোটি টাকার পোশাক কিনেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি বাংলাদেশের চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের চেয়েও পৌনে দেড় লাখ কোটি টাকা বেশি।

অটেক্সার হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৮ কোটি বর্গমিটারের সমপরিমাণ কাপড়ের তৈরিকৃত ৪৩৫ কোটি ৫১ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক, দশমিক ৫৬ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ২ হাজার ৩১৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে চীন। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এই রপ্তানি ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম। বাজারটিতে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ ভিয়েতনাম ৯৮৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। তাদের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ যথাক্রমে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। যুক্তরাষ্ট্রে গত জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া ৩৯৩ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক, ২ দশমিক ৮১ শতাংশ। আর আলোচ্য সময়ে ভারত ৩২১ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..