পাটকেলঘাটায় জনভোগান্তির নাম সিম নিবন্ধন

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মহতী উদ্যোগ সিম নিবন্ধন বর্তমানে পাটকেলঘাটা সদরের গ্রামীণ ফোন কাস্টমার কেয়ার গুলোতে জনভোগান্তির একটি অন্যতম স্থান হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আর্থিক ব্যবস্থা না থাকায় কাস্টমার কেয়ার’র কর্মচারীগণ একেবারেই অনিহার পাত্রে পরিণত করেছে।
সরেজমিনে গতকাল পাটকেলঘাটা সদরের গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে এ দৃশ্যের অবতারণার দেখা মেলে। নিজেও সিমটি নিবন্ধনের জন্য গিয়ে দেখা যায় নিবন্ধনকারী ইচ্ছুকদের দীর্ঘ লাইন। নিবন্ধন ছাড়াই কেয়ারের ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করলে জানান (নিবন্ধন) পেপারস নাই।

দেখা যায় নিবন্ধনকারীদের পাশেই বসে আছেন গ্রামীণ ফোনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি অন্যত্র ফোন দিয়ে জানালেন ১০ মিনিটের ভেতর ব্যবস্থা হচ্ছে। সকাল ১১ টা হতে আধাঘন্টা পেরিয়ে গেলেও পেপারস আসে ১২ টার দিকে।

এর ভেতর নিবন্ধন ইচ্ছুক ব্যক্তিদের সাথে দোকানের ব্যক্তিদের বাকবিতন্ডা লেগেই থাকে। অবশেষে পেপারস আসলেও কর্মরত ব্যক্তি জানান, আমি এখন নিজের কাজ করব। নিজেই অকপটে বলে গেলেন টাকা পয়সা নাই নিবন্ধন করে কি লাভ? তিনি আরও জানান, পাটকেলঘাটার অনেক দোকানে পেপারস থাকলেও লাভ নাই বিধায় সবাই পেপারের অজুহাত দিয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

খোজ নিয়ে জানা যায়, সিম নিবন্ধনে টাকা গ্রহণ করলে আইনানুগ কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকলেও অধিকাংশ দোকানগুলোতে ৫/১০ টাকা গ্রহণ করছে।

বহু অনুরোধের পর নিবন্ধন করালেও দেখা দেয় ক্যাবল অপারেটরে সমস্যা। কুমিরা গ্রামের আমিনুর রহমান জানান, জামায়ের সাথে কথা বলতে হয় বলে দু’শ টাকার জোন কামাই দিয়ে নিবন্ধনের জন্য আসলাম। মনে হয় আজও হবে না। অবশেষে কিছু নিবন্ধন করে দেয়। অতিদ্রুত মাঠ পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিদের বিষয়টি তদারকির জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন পাটকেলঘাটাবাসী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।