সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সারা দেশের ন্যায় এই উৎসবকে কেন্দ্র করে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামণ্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাস্কর ও মৃৎশিল্পীরা। খড়, কাঠ, বাঁশ আর কাদা-মাটি দিয়ে তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবী দুর্গার অনিন্দ্য সুন্দর রূপ।
খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ভাস্কর ও মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা তৈরির প্রধান ধাপগুলো হলো; মাটির কাজ শুরুর আগে বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমার প্রাথমিক কাঠামো বা অবয়ব তৈরি করা। কাঠামোর ওপর নিখুঁতভাবে কাদা-মাটির প্রলেপ দেওয়া হয়।
মাটির কাজ শুকিয়ে যাওয়ার পর শুরু হয় ফিনিশিং ও রঙের কাজ। শিল্পীরা তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ ও অসুরের মূর্তিকে ফুটিয়ে তোলেন। প্রতিমা মণ্ডপে নেওয়ার আগে কাপড়, গয়না এবং বিভিন্ন সাঁজ দিয়ে দেবী প্রতিমাকে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজানো হয়।
পাইকগাছা উপজেলায় ১৫৪টির মতো পুজা মন্দির বা মণ্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি চলছে। উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামণ্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
পাইকগাছার বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবীদুর্গার প্রতিমা। ভাস্কার বা কারিগররা প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে দেবীদুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, অসুরসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা।
শিশির ভেজা ভোর আর শরতের কাশফুল জানান দিচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ উৎসব ঘিরে পাইকগাছায় প্রতিমা তৈরিতে কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় প্রতিমাগুলে হয়ে উঠছে অপরূপ। এখন খড় আর কাদা মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে শরতের দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে মন্দিরগুলোতে চলছে প্রস্তুতি।





